বিজিবি জানায়, চোরাকারবারীরা মূর্তিটি বিক্রির চেষ্টা করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে টহলদল ক্রেতা সেজে সেখানে যায়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা মূর্তিটি ফেলে পালিয়ে যায়। স্বর্ণকার ও জুয়েলারী সমিতির মাধ্যমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি অত্যন্ত উচ্চমানের কষ্টি পাথর, যার বাজারমূল্য ১১ কোটি টাকারও বেশি।
আজ সোমবার পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের কর্মকর্তারা মূর্তিটি পরিদর্শন করে জানান, এটি ১১ থেকে ১২ শতকের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন।