1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

নবাবগঞ্জে ইছামতি নদীতে ময়লার ভাগাড়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীতে ময়লার ভাগাড়ে জন-জীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এখানে দীর্ঘদিন ধরেই গোবিন্দপুর বাজারের সমস্ত বর্জ্য এই ইছামতি খালে ফেলা হয় যা নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় এখানে স্তূপে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়। গোবিন্দপুর, মুসলিমহাটি, কামারখোলা, দুর্গাপুর, মুন্সিনগর, আগারবাগ, মরিচপুঁটি, চুরাইন এই সমস্ত অঞ্চলের জনগণ প্রতিদিনই নবাবগঞ্জ যাতায়াত করে থাকেন এই ব্রিজ দিয়ে।

এছাড়া গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, গালিমপুর সোনাবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ও গালিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযয়ের শত শত শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করার কারণে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। এখানে দীর্ঘদিন সমস্যা থাকার পরেও প্রশাসনের পক্ষ দিযয়ে কোন ব্যবস্থা রেয়া হয়নি।

পথচারী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান ময়লার দুর্গন্ধে এখান দিয়ে যাতায়াতের সময় নাক বন্ধ করে যাতায়াত করতে হয় এই ময়লা থেকে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় তৈরি হচ্ছে। এছাড়া এডিস মমশার ঝুকি বেশি। ময়লার দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

চুরাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এশিয়া বার্তাকে জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসেত প্রামানিক জানান গোবিন্দপুর বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার।এই বাজারের ময়লা ফালানোর কোন নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সকলে ময়লা ফেলছেন ইছামতি খালে যার কারণে এখানে একটি ময়লার স্তুব তৈরি হয়ে গেছে।

তিনি আরো জানান চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার গোবিন্দপুর বাজার ব্যবসায়ীদের নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা এখানে ময়লা ফেলছেন। প্রশাসনিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মতিউর রহমান এশিয়া বার্তাকে জানান, এখনো পর্যন্ত চেয়ারম্যান অথবা গোবিন্দপুর বাজার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে তাদের কাছে লিখিত কোন অভিযোগ জানানো হয়নি। তিনি আরো জানান অভিযোগ পেলে জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে অভিযান করবেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com