1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

নিজামের নম পার্ক এখন পতিতা ও মাদকসেবীদের দখলে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের সন্ত্রাসীবাহিনীর প্রধান ক্যাডার শাহ্‌ নিজামের নম পার্ক এখন পতিতা ও মাদকসেবীদের দখলে। এক সময় এই নম পার্কই ছিলো শাহ্‌ নিজামের যত অপকর্মের কেন্দ্র বিন্দু। এই পার্কে বসেই করা হতো বিভিন্ন দখলদারির দেনদরবার। পার্কটি প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের নামে করা হলেও শুরু থেকেই শামীম ওসমানের ক্যাডার নিজামের দখলে ছিলো পার্কটি।জুলাই মাসে যখন সারাদেশে ছাত্র আন্দোলন চলছিলো ঠিক তখনই ১৯ জুইলাই শুক্রবার বিকেলে এই পার্কটিতে আগুন ধরিয়ে ভাঙচুর করে সব কিছু গুড়িয়ে দেয় নারায়ণগঞ্জের বিক্ষুদ্ধ আন্দোলনকারীরা। এর পর থেকেই পার্কটিতে তৈরি হয় এক ভূতুরে পরিবেশ।গত ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পরে পার্কটিতে আশ্রয় নেয় পতিতা ও মাদকসেবীরা। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই ভবনটিতে শুরু হয় মাদক ও অবৈধ কর্মকান্ডের আসর। রাতভর চলে এইসব অসামজিক কার্যকলাপ। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশেই প্রকাশ্যে এমন অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিনিয়ত চললেও নেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা।রাত গভীর হলেই বারে ছিনতাইকারীদের তাণ্ডব। ছিতাইকারীরা ছিনতাই করে নির্ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসবে ব্যবহার করছে নিজামের এই পার্কটিকে। বেশকয়েকদিন আগে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক আরিফ হোসেন রাত আনুমানিক ১১টায় তার বাড়ী ফেরার উদ্দেশ্যে মিশুক যোগে নর্ম পার্কের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে একদল ছিনতাইকারীর খপ্পরে পরেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরিফ হোসেন বলেন, সেসময় আমি যেকোন ভাবে তাদের ম্যানেজ করে তাদের হাত থেকে রক্ষা পাই। তবে, আমার জায়গায় সাধারণ অন্য কোন মানুষ থাকলে তার আর রক্ষা হতো না। হয়তো টাকা পসা সব যেত না হয় প্রাণটা যেতগত ১০ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে সেলিম নামে এক যুবক এই পার্কের সামনের রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাড়ী ফিরছিলো। রাস্তার মধ্যে হঠাৎ করেই এক যুবতী তারে রাস্তা আটকিয়ে বাজে ইশারা ইঙ্গিত দেওয়া শুরু করলো। ছেলেটা মেয়েটার বাজে প্রস্তাবে খেয়াল না দিয়ে আবার হাটা শুরু করতেই পেছন থেকে তিন চারজন লোক এসে তাকে ধরে পার্কের মধ্যে নিয়ে যায়। ভেররে নিয়ে গিয়ে তার সাথে থাকা সেল ফোনসহ নগদ টাকা রেখে তাকে মারধর করে ছেড়ে দেয়।এই সড়কে এমন ঘটনা এখন হশামেশাই হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবী অতিদ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ জরুরী নয়তবা দিনে,দিনে অপরাধ কর্মকান্ড বেড়েই চলবে।এ বিষয়ে কথা বলতে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফুল ইসলামকে মুঠোফোন করলে তিনি জানায়,আমাদের একটি টহল টীম প্রতিনিয়ত এই সড়কে থাকে । তবে, আপনাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমি আরও কোঠর অভিযান চালানোর ব্যবস্থা করবো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com