1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

নিয়ামতপুরে নাশকতা মামলায় আওয়ামীলীগের দুই নেতা গ্রেফতার

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

নওগারঁ নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাবিবুর রহমান (৪৪)কে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের কাপাষ্টিয়া বাজার থেকে গ্রেফতার করে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। হাবিবুর রহমান উপজেলা হাজিনগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও খোর্দ্দচম্পা গ্রামের আলহাজ¦ আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। এর আগে বুধবার রাতে একই মামলায় নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাপাষ্টিয়া গ্রামের মৃত মোজাফফর কাজির ছেলে নজরুল কাজিকেও কাপাষ্টিয়া বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ নভেম্বর নিয়ামতপুরে উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের বীরজোয়ান গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে ও যুবদল নেতা মেহেদী হাসান বাদি হয়ে নাশকতার অভিযোগ এনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবেদ হোসেন মিলন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, ঈম্বর চন্দ্র বর্মন, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব, হাজিনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি, ভাবিচা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওবাইদুর রহমান, নিয়ামতপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বজলুর রহমান নঈম, রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন বাবরসহ ৩৭ জন ও অজ্ঞাত নামা আরো ২শ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলার আসামি হিসেবে হাবিবুর রহমান ও নজরুল কাজিকে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলার আসামী হাজিনগর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, চন্দননগর ইউপি চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি, ভাবিচা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ওবাইদুর রহমান, নিয়ামতপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ বজলুর রহমান নঈম ইতি, রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন বাবর ইতি পূর্বে অন্য একটি হত্যা মামলায় ঢাকার গাজিপুরে আদালতে জামিন নিতে গেলে জামিন নামমঞ্জুর হলে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, হাবিবুর রহমান ও নজরুল কাজির নামে নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com