1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাইযোদ্ধা হওয়ার প্রায় ২০০টি আবেদনই ভুয়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ দিতে সংসদ সদস্যদের কাজ করার পরামর্শ স্পিকারের ‘আওয়ামী লীগের একটি অর্গানকেও ফাংশন করতে দেওয়া হবে না’: আবিদুল ইসলাম মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলে তাদেরসহ গ্রেপ্তার করা হবে: খায়রুল কবির ধামইরহাটে যাত্রী ছাউনি থেকে মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয় কমিটির সভা দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ছয় জন জেলে নিখোঁজ হওয়ায প্রতিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ গৌরনদীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক উপ-কমিটি গঠন: ইলিয়াস মিয়াকে ঘিরে নেতাকর্মীদের নতুন প্রত্যাশা

পটুয়াখালীতে সপ্তাহ ব্যাপী তীব্র শীতে ও কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত

মোঃ মামুন হোসাইন।
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে
দক্ষিন উপকূলীয় পটুয়াখালীতে টানা একসপ্তাহ ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছ। ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক সমূহে দৃষ্টিসীমা  ১০০ মিটারে এবং নদী পথে ৬০ মিটারের নিচে নেমে আসায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না।
শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে শীতের শীতের তীব্রতায় কাবু মানুষজন শীত নিবারনের জন্য খঠকুটা ও পরিত্যক্ত কাগজপত্র জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশার কারনে সড়কগুলো ভিজে বিভিন্ন স্থান পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে। ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।
পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবা সুখী জানান,  পটুয়াখালীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় বেশী ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে বের হওয়া দিনমজুর শ্রমিক ও যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই কাজে যেতে না পেরে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন। এ শীতের কারনে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পুরান বাজারের দিনমজুর ফোরকান বলেন, কয়েকদিন ধরে শীত ও কুয়াশার কারনে কাজে যেতে পারছি না। আমার মতো অনেকেই কাজ করতে পারছে না। লাউকাঠির বই বিক্রেতা উত্তম কুমার জানান, প্রচন্ড শীতের কারনে ঠান্ডাজনিত করানে সর্দি, কাশি ও বাত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। লোহালিয়া ইউনিয়নের পাজাখালর গ্রামের কবির মৃধা বলেন শীতের কারনে ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে বিশী বিপদে পড়েছে চাষীরা। শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নদীর তীড়ের স্বনির্ভর রোড এর পাশে বস্তির মানুষ তীব্র শীতে কাতর বেশী। এ বছর সরকারি বা বেসরকারিভাবে শীতার্ত মানুষের পাশে এখনপর্যন্ত কম্বল বা শীতবস্ত্র নিয়ে এগিয়ে আসছে না বলে বস্তির শীতার্ত মানুষেরা অভিযোগ করছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com