1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

পটুয়াখালীতে সমাজসেবার উপ-পরিচালকের প্রতীকী দায়িত্বে স্কুল শিক্ষার্থী আয়েশা

মোঃ মামুন হোসাইন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পটুয়াখালীর উপপরিচালক শিলা রানী দাসের স্থলে এক ঘন্টার জন্য প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্ক ফোর্সের সদস্য আয়েশা আক্তার।রোববার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পৃথিবীব্যাপী গার্লস টেকওভার প্রোগ্রামের আওতায় উপপরিচালকের পদে এই প্রতীকী দায়িত্ব পালন করে আয়েশা। জাতীয় যুব সংগঠন ইয়েস বাংলাদেশের উদ্যোগে ওয়াই মুভস প্রকল্পের সহায়তায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এসএম শাহাজাদা ও ফজলুল হক ছলাকার, শহর সমাজসেবা অফিসার মেহেদী হাসান, ইয়েস বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলার সভাপতি হাসিবুর রহমান, এনসিটিএফ এর সহ-সভাপতি চাদনী আক্তার, ডিস্ট্রিক্ট ভলান্টিয়ার জহিরুল ইসলাম ও ফারহানা আক্তার জলিসহ অন্যান্যরা।এসময় উপপরিচালক শিলা রানী দাস, প্রতীকী উপপরিচালক ও স্কুল শিক্ষার্থী আয়েশাকে সমাজসেবা অধিদফতরের বর্তমানে ৫৪টি কার্যক্রম, দারিদ্র নিরসন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি, শিশু সুরক্ষামূলক, সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, প্রতিবন্ধীতা সহায়ক সামগ্রী উৎপাদন কেন্দ্র, সেবামূলক ও কমিউনিটি ক্ষমতায়ন এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে অবহিত করেন।এসময় স্কুল শিক্ষার্থী আয়েশা বলেন, আমি আজকের প্রতীকী দায়িত্ব পালনের মধ্যে নিজের ব্যক্তিগত সাহসিকতা ও আগ্রহের উন্নয়ন, বড় বড় চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব পালন ও সমাজের শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছি।সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিলা রানী দাস বলেন, কন্যা শিশুদের মনোবল বৃদ্ধি ও তাদের আরও অধিকতর অগ্রসর করতে টেকওভার প্রোগ্রামটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের অফিসে এবারের টেকওভার প্রোগ্রাম করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ। সেই সাথে স্কুল শিক্ষার্থী আয়েশাকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসার জন্য জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পক্ষে এ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।উল্লেখ্য, গার্লস টেকওভার প্রোগ্রামের মাধ্যমে মেয়েদের নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সামাজিক নেতৃত্বে ভূমিকা পালনে এগিয়ে আনতে নারীদের স্বপ্ন দেখানো আর সাহস জোগাতে এই আয়োজন করে থাকে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল। প্রতীকী এই কর্মসূচির মাধ্যমে এক দিনের জন্য সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় একজন কন্যা শিশুর কাছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com