1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

পলাশবাড়ীতে এলজিইডি’র (GRRIIP) প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

মোঃফেরদাউছ মিয়া,প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর আওতাধীন “বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” (GRRIIP) বাস্তবায়নে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ হোসেনপুর এলাকার হযরত আলী নামের এক ব্যক্তি ১৩ মে ২০২৫ তারিখে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে জমা দেন। অভিযোগে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, পূর্বনির্ধারিত রুট উপেক্ষা, এবং উদ্দেশ্য বিকৃতির কথা উল্লেখ করা হয়।
উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২১ মে ২০২৫ তারিখে GRRIIP প্রকল্প পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পত্রে বলা হয়, একটি কারিগরি (তদন্ত) কমিটি গঠন করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
এদিকে, ২৪মে ২০২৫ তারিখে খবরবাড়ী ২৪ ডটকমসহ বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট গণমাধ্যমে এ অভিযোগের সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, GRRIIP প্রকল্পের আওতায় হোসেনপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হরিতলা হাট পর্যন্ত ৮.৪৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি সড়ক পাকা করার কাজ অনুমোদন পায়। প্রকল্পটির আইডি নম্বর ১৩২৬৭৩০০৯।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রকৌশলী মো. হেলালুর রহমান হেলাল কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে প্রকল্পের নকশা ও নির্ধারিত রুট পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন, যার ফলে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. উজ্জ্বল চৌধুরী জানান,“ চলতি জুনের মধ্যেই তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।”
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com