1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি হরমুজে সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল নিয়ে সতর্ক বার্তা ইরানের মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ নলডাঙ্গায় নশরৎপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভূমিভূত বসতবাড়ি দিশেহারা কৃষক পরিবার লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল পটুয়াখালীতে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করতে জেলা প্রশান এর মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে প্রেমের টানে ধর্মান্তর: চাঁদপুরে চাঞ্চল্য নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে ৪ খুনের রহস্য উদঘাটন: সম্পত্তির লোভে ভাগনে-ভগ্নিপতির নৃশংস পরিকল্পনায় খুন নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে ৪ খুনের রহস্য উদঘাটন: সম্পত্তির লোভে ভাগনে-ভগ্নিপতির নৃশংস পরিকল্পনায় খুন

বগুড়ায় আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকরণে ভেষজ নির্যাস ও রং এর মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আকাশ আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে
আয়ুর্বেদিক ওষধ প্রস্তুতকরণে প্রাকৃতিক ভেষজ নির্যাস ও রং এর মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বগুড়া শহরের পার্ক রোডে অবস্থিত হোটেল উড বার্ন এর কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল ও বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের যৌথ আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ওষধ প্রশাসন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুকর্ণ আহমেদ।
বাম্মা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সেলিম মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে বাম্মা নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুর রব  খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওষধ প্রশাসন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক জেসমিন বেগম, বাম্মা সহ সভাপতি ড, কবিরাজ নরেশ মধু, ফজলুর রহমান, আব্দুস সবুর খান, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক খান,বাম্মা রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান মোজাফফর হোসেন প্রমূখ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বহুবছর আগে হাকিমরা বিভিন্ন ভেষজ পদার্থ থেকে রং তৈরি করে ওষুধ ও খাবারের সাথে ব্যবহার করতো।প্রকৃতি থেকে পাওয়া ওই সব রং মানব দেহের জন্য কোন প্রকার ক্ষতির কারণ ছিল না। বরং তা মানব দেহের উপকারে আসতো। শে সময় মানুষের রোগ এর সংখ্যা ও কম ছিল। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে মানুষ কেমিক্যাল এর উপর নির্ভর হয়ে পড়ায় বর্তমানে কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি রং বিভিন্ন খাবার ও ওষুধে সংমিশ্রণ করার ফলে মানুষ ভয়াবহ না না জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন আমাদের দেশে ওষুধ ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফা লোভের আশায় মানসম্পন্ন ওষুধ তৈরি করেন না। ফলে চিকিৎসকদের নির্ণয় বেগ পেতে হচ্ছে। পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিসহ নানা প্রকার রোগ ও জটিলতায় জীবন-যাপন করছেন আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ। বক্তারা ওষুধ ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানির মালিকদেরকে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছ ভাবে ওষুধ উৎপাদনের আহ্বান জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com