1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোডশেডিংয়ের ক্ষোভে লাইনম্যানকে তুলে নিয়ে মারধর অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘থ্রি-আর’ কৌশল সরকারের : অর্থমন্ত্রী খামেনির শেষ বিদায়ে মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের মোগলটুলীর সেই আওয়ামী লীগ ‘বিক্রি হয়ে গেছে’: মাহফুজ আলম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ঠেকাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছাত্রদলের মোটরসাইকেল শোডাউন স্ত্রীর খোঁজে চীনা স্বামী, অভিযোগ টাকা ও কাগজপত্র নিয়ে উধাও মাস্ক পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ঘুষের গ্ৰহনের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার দেবীগঞ্জের পিআইও বাবুল দেশকে আর দিল্লির গোলাম বানানো যাবে না: রিজভী মুজিব শতবর্ষের লোগোযুক্ত খামে চিঠি পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি

বিদ্যালয়ের জমির টাকা প্রধান শিক্ষকের পকেটে।

রাশিমুল হক রিমন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির টাকা প্রধান শিক্ষক মোসাঃ সেলিনা আক্তার বেবি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয় জমিদাতার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা এমন অভিযোগ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার পুর্ব হলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।জানাগেছে, আমতলী উপজেলার পুর্ব হলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ওই বিদ্যালয়ে পাঁচজনে মিলে ৬১ শতাংশ জমি দেয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে প্রাচীরের মধ্যে মাত্র ১.৬৭ শতাংশ জমি রয়েছে। অবশিষ্ট ৫৯.৩৩ শতাংশ কৃষি জমি। ওই কৃষি জমি প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি গত ৩৩ বছর নগদ টাকায় বিক্রি করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমিদাতারা অভিযোগ দেয়। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জমি ছেড়ে দিতে বলেলেও তিনি তা মানছেন না। জোর করে তিনি ওই জমি টাকা আত্মসাৎ করছেন। জমিদাতা আলতাফ হোসেন মোল্লার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন।জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করেছেন।মিজানুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি আমার জমি দখল করে ভবন নিমার্ণ করেছেন। কিন্তু আমার জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রধান শিক্ষক জমি বিক্রি করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন।প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি বলেন, বিদ্যালয়ের জমি বদলে অন্য জমি ভোগদখল করা হচ্ছে। আমি বিদ্যালয়ের জমির কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি।আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন, এ বিদ্যালয়ের জমির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ওই জমি পরিমাপ করে বিদ্যালয় কতৃর্পক্ষকে বুঝিতে দিতে সার্ভেয়ার পাঠানো হয়েছে।আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের জমি অন্য কেউ ভোদদখল সুযোগ নেই। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com