1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানছুরা নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বোদা উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবে এনসিপি — শিশির আসাদ

Afsana Setu
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের বদ্বেশ্বরী এলাকায় সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রাখা ও নিরাপত্তা বিষয়ে মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) এনসিপি বোদা উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী ও পঞ্চগড় -০২(বোদা- দেবীগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শিশির আসাদ-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় নেতারা বদ্বেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন। তারা এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেন যে, কোনো প্রকার অশান্তি বা হুমকির মুখে থাকলে এনসিপি সর্বদা তাদের পাশে থাকবে। মতবিনিময়কালে শিশির আসাদ বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে। আপনাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও সম্মান রক্ষায় আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আপনারা আমাদের ভাই। আমরা আপনাদের সঙ্গে মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো পরিস্থিতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবে এনসিপি। সুখে-দুঃখে আমরা একসাথে, একসাথে থাকার জন্যই আমাদের রাজনীতি। সম্প্রীতির এই বন্ধন অটুট রাখতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।” এ সময় স্থানীয় মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ এনসিপির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং শান্তি-সম্প্রীতির এই বার্তাকে গণমানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বোদা উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মাছুম বিল্লাহ সৌরভ, স্থানীয় এনসিপি নেতৃবৃন্দ, যুব সমাজ ও মন্দির-সংলগ্ন এলাকাবাসী। জাতীয় নাগরিক পার্টি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু রাজনৈতিক উপস্থিতিই জানান দেয়নি, বরং বোদা উপজেলায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দলটির দায়িত্বশীল অবস্থান ও অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com