1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
  5. vero76075@desh-bulletin.com : vero76075 :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনাইদহে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ Your first steps into PayID Pokies Australia: An engaging introduction to online casinos ভারতসহ তিন দেশের কাছে বন্যার ক্ষতিপূরণ দাবি নেপালের Best Online Casino Australia beginner’s guide: navigating real money pokies and exciting games যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা আরো সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির এমপির গাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি তমাল রিমান্ডে Fast withdrawal casino review: The safest options for instant payouts in the UK তিস্তার নদীর তাণ্ডবে নদীগর্ভে ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ, আতঙ্কে ২০ হাজার মানুষ ‘জিয়াউর রহমান গড়েছেন এই উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল’—রফিকুল ইসলাম জামাল আন্দোলনে শিক্ষক-কৃষকদের ওপর করা মামলা প্রত্যাহার করছেন বিজয়

ভারতসহ তিন দেশের কাছে বন্যার ক্ষতিপূরণ দাবি নেপালের

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পর জলবায়ু ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে নেপাল। দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দায়িত্ব বড় নির্গমনকারী দেশগুলোর রয়েছে। খবর ইন্ডিয়া‍টুডের।

বাগমতী প্রদেশের কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি করা ভোতেকোশি নদীর বন্যায় অন্তত ১ হাজার ১২৭ জন নিহত এবং প্রায় ৩ হাজার ৯০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে বিশাল পাথর ও বরফ ধসের কারণে এই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্ষতিপূরণের দাবি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র ‘বালেন’ শাহকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নেপাল। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহের নিউইয়র্ক সফরের প্রস্তাবটি বর্তমানে আলোচনা করা হচ্ছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, যেসব দেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সবচেয়ে কম অবদান রেখেও এর ক্ষতির শিকার হচ্ছে, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া বড় নির্গমনকারী দেশগুলোর দায়িত্ব।

কান্তিপুর টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কূটনৈতিক কাঠামোকে সহায়তা থেকে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দিকে পরিবর্তন করছি।’

‘বন্যার ক্ষতিপূরণ দান নয়, ন্যায়বিচার’
খানাল বলেন, রাসুয়ার এই দুর্যোগকে শুধু মানবিক সংকট হিসেবে দেখলে হবে না, যার জন্য দান বা সহায়তা প্রয়োজন। বড় শিল্পোন্নত অর্থনীতিগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়াকে তিনি দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন।

কান্তিপুর টিভিকে তিনি বলেন, ‘এটি দাতব্যের বিষয় নয়; এটি আইনি ও নৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়।’

খানাল চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতকে বর্তমানে বিশ্বের তিন বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নেপালের মতো দেশকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দায়িত্ব তাদের রয়েছে বলে দাবি করেন।

ইন্ডিয়া ‍টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট নির্গমনের পরিমাণে ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় নির্গমনকারী হলেও দেশটির মাথাপিছু ও ঐতিহাসিক কার্বন নির্গমন উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৪ সালের ঊউএঅজ হিসাব অনুযায়ী, মোট নির্গমনের হিসাবে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বিশ্বের তিন বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ। মাথাপিছু হিসাবে ভারত প্রায় ৩ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড (ঈঙ২)-সমতুল্য নির্গমন করে। চীনের ক্ষেত্রে তা প্রায় ১১ টন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ টনের বেশি।ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, জলবায়ু সংক্রান্ত দায়িত্ব নির্ধারণের সময় ঐতিহাসিক নির্গমন, মাথাপিছু নির্গমন, উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং আগে শিল্পায়িত হয়ে এর সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর বেশি দায়িত্ব বিবেচনা করা উচিত।

২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। এতে নেপালের রাসুয়া, নুওয়াকোট ও ধাদিং জেলার বিভিন্ন এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত রয়েছেন।

নেপাল এই দুর্যোগকে ‘হিমালয়ান সুনামি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

নেপাল পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে বন্যার সূত্রপাত হয়েছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এর সম্পর্ক কতটা, তা নিশ্চিত করতে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন।

প্রাথমিক মূল্যায়নে পাথর ও বরফের ধস, অস্থিতিশীল হিমবাহ এবং হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্রের পরিবর্তনকে বন্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

ভূমিকম্পপ্রবণ উচ্চ ঝুঁকির এই এলাকায় বন্যার ঘটনা ভঙ্গুর হিমালয় অঞ্চলে চীনের নির্মিত অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে গত সপ্তাহে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, বন্যায় ধ্বংস হওয়া অবকাঠামো পুনর্র্নিমাণে নেপালের ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এই অর্থ দেশটির অর্থনীতির প্রায় ১০ শতাংশের সমান।

জরুরি আর্থিক সহায়তার জন্য নেপাল জাতিসংঘ-সমর্থিত ‘ফান্ড ফর রেসপন্ডিং টু লস অ্যান্ড ড্যামেজ’-এর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com