অভিযোগ রয়েছে, হারুন নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। একাধিক বিয়ে এবং বিভিন্ন নারীর সাথে তার আপত্তিকর সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এসেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
এর আগেও এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রী না করে নামের আগে ডাক্তার ও চোখের চিকিৎসা করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, আমরা আগে থেকেই সন্দেহ করতাম। সে ডাক্তার না হয়েও মানুষকে ভুল বুঝিয়ে চিকিৎসা দিতো। এখন এসব ঘটনা সামনে আসায় আমরা হতবাক।
আরেক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তার কাছে চিকিৎসা নিয়ে আমরা প্রতারিত হয়েছি। টাকা নিয়েছে, কিন্তু কোনো সঠিক চিকিৎসা দেয়নি। এখন তার আসল চেহারা বের হয়ে আসছে।
হারুন এর আগেও ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে কারাভোগ করেছেন। তবে জেল থেকে বের হয়ে আবারও একই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। তিনিও ডাক্তার না হয়ে মহিপুরে চোখের ও কলাপাড়ায় দাতের চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মহিপুর ও কলাপাড়া এলাকায় সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, আমরা তার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। খুব শীঘ্রই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা আর না ঘটে