1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনার বিচার কার্যক্রম শুরু

Nazir Ahmmad
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

আজ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হলো। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং অন্যান্য সংবাদ মাধ্যম এই বিচার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করছে।

১৫ বছরের শাসনামলে গণহত্যা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, ভোটবিহীন নির্বাচন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এই অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে চাই যে, মানবতাবিরোধী অপরাধের কোনো জায়গা নেই।” তিনি আরও জানান, বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এটি সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা এই বিচার প্রক্রিয়াকে “গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বিশ্বাস করেন, এটি একটি উদাহরণ স্থাপন করবে এবং ভবিষ্যতে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে।

দেশের জনগণের মধ্যে এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিহিত করছেন। রাজধানীর এক বাসিন্দা বলেন, “যদি এই বিচার সত্যিকার অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে, তাহলে এটি দেশের জন্য বড় অর্জন হবে।”

আইন বিশেষজ্ঞরা এই বিচারকে বাংলাদেশের আইনি ইতিহাসের একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন যে, বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক শুনানি শেষে, আসামিদের পক্ষে এবং বিপক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই বিচার কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল ন্যায়বিচারের প্রতীক নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি শক্তিশালী করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন অপেক্ষা করছে এই বিচার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপের জন্য।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com