1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

মানিকগঞ্জ সাটুরিয়ায় জমি বিরোধের জেরে সংঘর্ষ

আল আমিন সরকার সোহাগ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে
মানিকগঞ্জে সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নে মাটি কাটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত আব্দুল আলীম (২৪) সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
ভুক্তভোগী কিতাব আলী জানান,কান্দাপাড়া এলাকার খোর্দ্দখোলা মৌজায় পৈতৃক ও মাতৃ সূত্রে ৫৬ শতাংশ জায়গায় ভোগদখল পরিচালনা করে আসছি। একই এলাকার মৃত কয়েদ আলীর ছেলে মহির উদ্দিন (৬০), বাবুল হোসেনের ছেলে মো: সোহেল হোসেন (৩০),মো: মিঠু (২৭) আমার দখলের জমিতে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক  আমার তিন ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যায়।এতে আমি বাধা দিলে আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয়।এই বিষয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর নিরুপায় হয়ে মহির উদ্দিন সহ অজ্ঞাত কয়েকজন বিবাদী করে সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। ঘটনা তদন্তের জন্য এসআই আলামিন সরেজমিনে এসে মাটি কাটা বন্ধ করে। এই বিষয়ে বিজ্ঞ জেলা মাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করেছি।
গত ২০ নভেম্বর বিবাদীগন মামলার বিষয়টি জানতে পারলে ২১ ডিসেম্বর দলবদ্ধ ভাবে পূনরায় আমার ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যায়। এতে আমার ভাতিজা আব্দুল আলীম (২৪) বাধা দিলে বিবাদী মহির উদ্দিন, মিঠুসহ কয়েকজন ভাতিজা আব্দুল আলীমকে গুরুতর বেধরক মারপিট করে।ঘটনাস্থল থেকে আলীমকে গুরুতর অবস্থায় সাটুরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই বিষয়ে আব্দুল আলীম বলেন,আমি আমাদের জমিতে যাওয়ার পর লাঠি দিয়ে বেধম মারপিট করে, আমার বুকে ধারালো কাচি দিয়ে আঘাত করলে আমি মাটিতে লুটিয়ে পরি।পরে আমি এলাকাবাসীর সহযোগিতায় হাসপাতালে আসি। বর্তমান আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, বিষয়টি অবগত আছি। ওই জমি নিয়ে দু’পক্ষের ঝামেলা আছে। সম্ভবত ওখানে ১৪৪ধারা জারি আছে। এখনও আদালত থেকে আদেশের কাগজ হাতে পাইনি। পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com