রংপুরর জেলার পুলিশ সুপার, জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এর দিক নিদের্শনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব সুশান্ত চন্দ্র রায় এর নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) রংপুর, জনাব সনজয় কুমার সরকার, ওসি ডিবি, রংপুর মোঃ সোহেল রানা, ডিবি’র ইন্সপেক্টর মোঃ তাজেদার আলম ফারুকী সহ ডিবি’র একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় সোমবার (৪ মে) গভীর রাত্রে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানাধীন ৫নং বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়ানখাল গ্রামস্থ অনলাইন প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য
নুরুজ্জামান ও খায়রুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত ০৭ টি মোবাইল ফোন, সিম-০৮টি, ০১টি ল্যাপটপ, বিকাশ লেনদেনের টালি খাতা, ভুয়া পাসপোর্টের কালার ফটোকপি ০৭টি, অস্ট্রেলিয়ান ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট ০৩ সেট, ভুয়া অস্ট্রেলিয়ান ভিসা ০৩ কপি, VFS. GLOBAL এর বায়োমেট্রিক ভুয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভুয়া অস্ট্রেলিয়ান Appointment lettet ইত্যাদি জব্দ করেন এবং অভিযুক্তদ্বয়কে গ্রেফতার করেন।
অভিযুক্ত অন্যান্য অভিযুক্তদের সাথে পরস্পর যোগসাজসে মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে প্রবেশ করতঃ অনলাইনে চাকুরি দেওয়া, ভিসা প্রদান সংক্রান্তে জালিয়াতি ও প্রতারনার মাধ্যমে টাকা গ্রহন করা, অনলাইনে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া খেলাসহ অনলাইনে বিভিন্ন প্রকার অপরাধমূলক কাযক্রম করে জনসাধারনকে সর্বশান্ত করে আসছিল।
নূরুজ্জামান (২১), পিতা- নূর নবী, মাতা- নূর নাহার, সাং- নয়ানখাল বৈদ্যপাড়া, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, খায়রুল ইসলাম (৪২), পিতা- মৃত ইব্রাহিম আলী, মাতা- খুরমা বেগম, সাং- নয়ানখাল উত্তরপাড়া, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা-নীলফামারী।
পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা যায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তরা বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা ও জালিয়াতির সাথে জড়িত। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। “

অভিযুক্তদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো ২০ জন অভিযুক্তের নাম ঠিকানা পাওয়া গেছে।
রংপুর তারাগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে মঙ্গলবার
(৫ মে) বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে।