1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাইযোদ্ধা হওয়ার প্রায় ২০০টি আবেদনই ভুয়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ দিতে সংসদ সদস্যদের কাজ করার পরামর্শ স্পিকারের ‘আওয়ামী লীগের একটি অর্গানকেও ফাংশন করতে দেওয়া হবে না’: আবিদুল ইসলাম মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলে তাদেরসহ গ্রেপ্তার করা হবে: খায়রুল কবির ধামইরহাটে যাত্রী ছাউনি থেকে মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয় কমিটির সভা দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ছয় জন জেলে নিখোঁজ হওয়ায প্রতিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ গৌরনদীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৮ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক উপ-কমিটি গঠন: ইলিয়াস মিয়াকে ঘিরে নেতাকর্মীদের নতুন প্রত্যাশা

শীতে স্থবির মধুখালী: পুরোনো কাপড়ের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
তীব্র কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ফরিদপুরের মধুখালীর জনজীবন। গত কয়েকদিন  ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় এবং ভোর থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে সড়ক ও জনপথ ঢেকে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরম সীমায় পৌঁছেছে।
বাধ্যতামূলক প্রয়োজন ছাড়া মানুষজন ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ফলে যানবাহনও ফাঁকা চলাচল করছে। জীবিকার তাগিদে রিকশাচালক মোঃ জাকির শেখের মতো অনেকেই তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে রিকশা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, “শীতে খুব কষ্ট হচ্ছে। কুয়াশার কারণে একটু পরে বের হই। কিন্তু ঘরে বসে থাকলে সংসার চলবে না। তাই ঠান্ডা সামলে রিকশা চালাই।”
এদিকে, শীত নিবারণের জন্য রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকানের সামনে ও খোলা স্থানে অনেককে লাকড়ি জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হওয়া কুয়াশা পরের দিন সকাল পর্যন্ত তীব্র থাকে।
তীব্র শীত থেকে বাঁচতে উষ্ণ পোশাকের চাহিদা কয়েকগুণ বাড়ায় মধুখালীর পুরোনো কাপড়ের দোকানে এখন উপচে পড়া ভিড়। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ক্রেতারাও সুলভ দামে জ্যাকেট, সোয়েটার, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র কিনতে এসব দোকানে ভিড় করছেন।
ক্রেতা হুমায়ন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, তাই এখানে এসে অল্প দামে শীতের পোশাক কিনেছি। আমাদের মতো আরও অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ এখান থেকে কাপড় নিচ্ছে।” ক্রেতা আরশি বেগম জানান, নতুন কাপড়ের দোকানের চেয়ে এখানে ভালো মানের কাপড় তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়, তাই প্রতিবছরই এই বাজারে আসেন তিনি। মোছাঃ কাকলী বেগমও এসেছেন বাচ্চাদের জন্য কম দামে গরম পোশাক কিনতে, কারণ মার্কেটে নতুন পোশাকের দাম অনেক বেশি।
বর্তমানে পুরোনো কাপড়ের দোকানে মাফলার ১৫০ টাকা, জ্যাকেট ৩০০ টাকা, চাদর ৩০০ টাকা, সোয়েটার ৩০০ টাকা এবং হাতমোজা বা পামোজা ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেড়েছে। পুরাতন কাপড়ের দোকানদার মোঃ আরিফ জানান, শীত বাড়ার পর থেকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্রাহকদের ভিড় লেগেই থাকছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com