1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

ষষ্ঠ দিনের মতো ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, বিকেলে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতি আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে শেষ হয়েছে। আজ দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন চিকিৎসকদের দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চার দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই দুই ঘরানার চিকিৎসকেরা ধর্মঘট পালন করছেন।

২৩ মার্চ থেকে সারা দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁরা এই কর্মবিরতি আহ্বান করেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন বাড়িয়ে ৩০ হাজার এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া চিকিৎসা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বিভিন্ন বকেয়া ভাতা প্রদানের দাবিও রয়েছে।

ষষ্ঠ দিনের কর্মবিরতি চলাকালে পাঁচ শতাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসপাতালে তাঁদের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের দুই হাজারের বেশি রোগী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মূলত প্রাথমিক চিকিৎসা এবং রোগী সুরক্ষার কাজটি দিয়ে থাকেন এসব ইন্টার্ন ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনিরা। ফলে তাঁরা না থাকায় ওয়ার্ড চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিভাগীয় প্রধানদের। বিভিন্ন ওয়ার্ডে অনেক ডাকাডাকি করেও চিকিৎসক মেলেনি। প্রসূতি বিভাগে ভর্তি এক রোগীর হাসান নামের অভিভাবক বলেন, ওয়ার্ডে ইন্টার্নরা না থাকায় চিকিৎসকদের ডাকাডাকি করেও পাওয়া যাচ্ছে না।

জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, পাঁচ শতাধিক চিকিৎসক না থাকলে তো সংকট হবেই। রোগীদের যত্নের কিছুটা অভাব হচ্ছে। আগে যেখানে সঙ্গে সঙ্গে রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ পেতেন এখন দেরি হচ্ছে। বিষয়টা মেনে নিয়েই হাসপাতাল চালাতে হচ্ছে। এতে করে অস্ত্রোপচার কিছুটা কমেছে। আর রোগীদেরও বিষয়টা মেনে নিতে হচ্ছে।

জানতে চাইলে চমেক ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুকেশ রঞ্জন দে বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছি। আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হবে। তাতে বিষয়টির সমাধান হলে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।(সূত্র:প্রথম আলো)

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com