1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

সংবাদ সম্মেলন করে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

রফিক ঢালী
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম মাস্টার সাহেব সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে, আমি প্রতিহিংসার শিকার। আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে একটি মহল সংবাদ মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করা হচ্ছে। বুধবার বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তারুল আলম মাস্টার, তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বুধবার দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দৈনিক কালবেলা পত্রিকায়  ওই প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়। তাছাড়া সংবাদে আমার পারিবারিক বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে মানহানি করা হয়েছে। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় করতে গিয়ে আমার এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হয়েছে। আমি গত ১৫ বছর দলের দুঃসময়ে বিভিন্ন নেতা-কর্মীদেরকে মামলা হামলার বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছি  এবং এখনো করে আসছি। দলের বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় মামলা হামলার ও কারাবারণ করেছি। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এবং দলীয় পদ ব্যবহার করে কখনো কারো কাছে চাঁদা দাবি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ সত্য নয়। আমি আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রতিটি পদ’ই দলের নেতা-কর্মীদের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারের আমলে দলের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে দুই ডজনের বেশি রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ভাবে পাঁয়তারা করে আসছে। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আমাকে নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে ঐ সব নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রায় এক ডজন নামধারী নেতা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্তি কাজে জড়িত থাকার অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে যারা মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্হা গ্রহণ করার জন্য আমার দলীয় উর্ধতন নেতৃবৃন্দের বরাবর জোর দাবী জানাচ্ছি, একই সাথে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com