1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল

সাঘাটায় ঘুরছে ভাগ্যের চাকা ৪ হাজার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি ব্যাহত

মোঃ মাছিদুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া রেলওয়ে পাওয়ার হাউস মাঠে হস্ত কুটির শিল্প পণ্য ও পাটবস্ত্র মেলায় প্রবেশ টিকিটের বিপরীতে লটারি নামের একটি অভিনব প্রতারণার কায়দায় ফেলে ভাগ্য পরীক্ষা চলছে। অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন মহলকে রীতিমতো উৎকোচ প্রদান ও বেকার যুব সমাজকে কর্মবিমুখ করে যত্রতত্র মেলার টিকিট বিক্রির জন্য উদ্বুদ্ধ করে পরিচালনা করা হচ্ছে মেলা নামক লটারির র‍্যাফেল ড্র। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, জাহাঙ্গীর নামের জনৈক ব্যক্তি এ মেলাটি জে.বি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড লাইসেন্সের বিপরীতে সুকৌশলে পরিচালনা করছে। এদিকে, চলতি বছরের আগামী ১০ই এপ্রিল থেকে সারাদেশে এস.এস.সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সাঘাটা উপজেলায় ৮টি কেন্দ্রে এস.এস.সি বা সমমান পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বমোট ৩ হাজার ৯শ ৫২ জন। একইভাবে পাশের উপজেলা গোবিন্দগঞ্জেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম নয়। আকর্ষণীয় গান বাজনা ও লোভনীয় অফার দেখিয়ে টিকিট বিক্রি করায় কোমলমতি এ দুই উপজেলার শিক্ষার্থীদের মেলার ব্যাপক অংশ জুড়ে অযাচিত ঘোরাঘুরি লক্ষ্য করা যায়। একদিকে মেলা চলমান অন্যদিকে পরীক্ষার্থীদের আসন্ন এস.এস.সি বা সমমান পরীক্ষা। যেকারণে পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে আটকে রাখা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে একাধিক অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়। সচেতন অভিভাবক মহলে মেলা চলমান থাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং সন্তানদের সু ফলাফল নিয়েও ব্যাপক দুশ্চিন্তার জন্ম হয়েছে তাদের মনে। এছাড়াও মেলা পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ক’জন ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, হস্ত কুটির শিল্প পণ্য ও পাটবস্ত্র নামে এ মেলায় স্থানীয়দের কোনো পণ্য নেই। সিংহভাগই বাহিরের পণ্য। শুধু তাই নয়, মেলা চলায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গেল ঈদে তেমন কোনো লাভবান হতে পারে নি বলে অভিযোগ অনেকের। সরেজমিন মেলার পরিচালক জাহাঙ্গীরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অনুমোদন নিয়ে মেলাটি পরিচালনা করছেন। এ বিষয়ে সাঘাটার নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মোঃ আল কামাহ তমালকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও ফোন রিসিভ করেননি। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবে মেলা চলতে থাকলে আর এজন্য পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর দায় কার? স্থানীয়দের দাবি, মেলার নামে এই লটারি ও অপ্রয়োজনীয় আয়োজন বন্ধ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে না পড়ে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com