1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

‘হরমুজের চাবি হারিয়ে ফেলেছি, নতুন পরাশক্তিকে স্বাগত জানান’: ট্রাম্পকে ই/রা/নে/র খোঁচা

Desk report
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ইস্টারের সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে দাবি করেছিলেন—হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে হবে। এর জবাবে জিম্বাবুয়েতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া জানায়: “আমরা চাবিটা হারিয়ে ফেলেছি।”

ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের সামরিক পদক্ষেপের পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোর ‘এক্স’ (টুইটার) অ্যাকাউন্টগুলো বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। একের পর এক পোস্টে ট্রাম্পকে বিদ্রুপ করে তারা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

এই অনলাইন প্রচারণায় বিশেষভাবে এগিয়ে রয়েছে আফ্রিকার দেশগুলোতে অবস্থিত ইরানি মিশনগুলো। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকাতে ইরানের দূতাবাসের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে।

গত বুধবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দিনই দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাস তাদের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে লিখেছিল—“বিশ্বের নতুন পরাশক্তিকে স্বাগত জানান।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ওয়াশিংটনের প্রতি কটাক্ষ করা হয়। বার্তাটি ছিল—শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমেরিকা ইরান সরকারকে নত করতে পারেনি।

এর আগেও তারা ট্রাম্পের ‘শান্তিদূত’ ভাবমূর্তিকে ব্যঙ্গ করে একটি ছবি পোস্ট করে, যেখানে একটি পায়রার ছায়া যুদ্ধবিমানের আকার নিয়েছিল। যদিও অন্যান্য দেশেও ইরানের কূটনৈতিক মিশনগুলো ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাসের সক্রিয়তা সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে।

জোহানেসবার্গভিত্তিক আফ্রো-মিডল ইস্ট সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাঈম জিনা বলেন, ইরান খুব কৌশলগতভাবে সামাজিক মাধ্যমে এই প্রচার চালাচ্ছে। তার মতে, ইরানি মিশনগুলো বিশেষ করে সেসব দেশে বেশি আক্রমণাত্মক অনলাইন ভূমিকা নিচ্ছে, যেখানে স্থানীয়ভাবে তেমন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা নেই—দক্ষিণ আফ্রিকা তার একটি বড় উদাহরণ।

ইরান ও দক্ষিণ আফ্রিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আগেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার জানিয়েছে, তাদের অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে নির্ধারিত এবং তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো পক্ষের অনুসারী হতে চায় না।

এদিকে, ইরানের এই প্রচারণা শুধু বিদ্রুপেই সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এমন কিছু ভিডিও তৈরি করেছে, যেখানে ইরানের মিনাব শহরে মার্কিন হামলায় নিহত শিশুদের ভার্চুয়ালভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরা হয়।

তিউনিসিয়াসহ আফ্রিকার আরও কিছু দেশে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস একই ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে। কখনও স্বাগতিক দেশের প্রশংসা, আবার কখনও আন্তর্জাতিক সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়ে তেহরান বোঝাতে চাইছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে তারা একা নয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com