1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা: বাবা হারানো শোকে কাটছে ছেলের প্রথম জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

হিজলায় পেশাদার চোর পুলিশের হাতে আটক

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের হিজলা উপজেলায় প্রতিরাতে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মোবাইল সহ অন্যান্য মালামাল চুরি হয়ে আসছে। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে হিজলা থানার পুলিশের উপপরিদর্শক নুর আলম,ইয়াদুল সহ একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের উত্তর বাউশিয়া গ্রামের রতন চৌকিদারের ছেলে চোরের হোতা ইমাম হোসেন ওরফে ইমান চৌকিদার(১৯) কে আটক করে।জানাযায় এই ইমাম একজন অভ্যাসগত কুখ্যাত চোর।সে প্রতিরাতে বিভিন্ন বাড়িতে সিধ কেটে অথবা  জানালার গ্রিল ভেঙ্গে বসতঘরে প্রবেশ করে মোবাইল নগদ টাকা পয়সা স্বর্নালংকার চুরি করে আসছে।এছাড়া তার বিরুদ্ধে ছাগল হাস মুরগি চুরির অভিযোগ রয়েছে।থানাসূত্রে জানাযায় ইমান চৌকিদারের নামে হিজলা থানায় ৩ টি চুরি মামলা রয়েছে।রয়েছে অনেক চুরির অভিযোগ।চুরির সত্যতা স্কীকার করে ইমান চৌকিদার জানায় চুরি তার অভ্যাস হয়ে গেছে।রাতে চুরি করতে না পারলে সে স্থির থাকতে পারে না।এজন্যই চুরি করি। হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান গোপন সংবাদের ভিত্তি এই চোর কে আটক করি।তার বিরুদ্ধে চুরির একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে।তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com