1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

১৪ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

আহসান হাবিব শিবলু, বগুড়াঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ায় ১৪ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে বিয়ে করতে না পারায় মেয়ের বাবা রিক্সাচালক শাকিল আহমেদ (৪০) কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে শহরের ফুলবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর ঘাটে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটায়। হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত বগুড়া জেলা  স্বেচ্ছাসেবক দলেরসহ সাধারণ সম্পাদক জিতু ইসলাম ও মতিসহ ৩ জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিতু চিহ্নিত সন্ত্রাসী তার বিরুদ্ধে আনুমানিক ৪টি মামলা আছে।
শাকিল আহমেদ, শহরের শিববাটি শাহি মসজিদ এলাকার সাজুর পুত্র। তিনি ঐ এলাকায় জনৈক রানার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। শহরের ফুলবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলমাস আলী তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহতের স্বজনরা জানায়, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলেরসহ সাধারণ সম্পাদক জিতু বেশ কিছুদিন থেকে  শাকিলের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় শাকিলের সাথে বিরোধের সৃষ্টি  হয় জিতুর। এ নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। তারই জের ধরে আজ শনিবার বেলা ১২ টায় শাকিলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে মারপিট করে। এক পর্যায়ে শাকিল তার বাড়ি থেকে সটকে করতোয়া  তার বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এদিকে জিতু তার দলবল নিয়ে দুপুরে শাকিলকে তার বোনের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে বেদম মারপিট করে নদীর ঘাটে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন শাকিলকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বিকেল সাড়ে ৫ টায় মৃত্যুর ঢলে পড়েন।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান বাসির জানান, শাকিলের ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে করতে চায় জিতু। কিন্তু শাকিল বিয়ে প্রত্যাখ্যান করায় তাদের মধ্যে দ্বন্দের সৃষ্টি হয়। ওই দ্বন্দে¦র জের ধরে আজ বেলা ১২ টায় জিতু ৪ থেকে ৫ টি মোটরসাইকেলে করে বেশ কয়েকজন গিয়ে শাকিলকে তুলে এনে মারপিট করে। পরে তারা মুমূষু অবস্থায় শাকিলকে ছিনতাইকারী হিসেবে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য পায়তারা করেছিলো। পুলিশ ঘটনা বুঝতে পেরে তাদের জিম্মায় না নিয়ে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। হাসপাতালে ভর্তির পর শাকিল মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এঘটনায় জিতু ও মতিসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com