1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

১৯ বছরেও চালু হয়নি পিরোজপুরের কলারন- সন্ন্যাসী ফেরি : জনসাধারণের ভোগান্তি চরমে

কামরুল আহসা (সোহাগ )
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কলারন-সন্ন্যাসী ফেরি চালু হওয়ার পর দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে বন্ধ থাকায় যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। ঝুঁকি নিয়েই পার হচ্ছে নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সরাসরি যোগাযোগ বিছিন্ন সুন্দরবনের সঙ্গে। যাত্রীরা প্রায় সময় নদীতে উত্তাল ঢেউ এর মধ্যেই ট্রলারে করে পার হচ্ছে এ নদীটি।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলা ও বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলা সীমানায় বলেশ্বর নদীর ওপর কলারন-সন্ন্যাসী ফেরিটি জোট সরকারের আমলে ২০০৬ সালের ০৪ আগস্ট তৎকালীন পিরোজপুর ০১ আসনের জাতীয় সংসদের সদস্য আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর উদ্বোধনের মাধ্যমে চালু হয়। ফেরিটি চালু হওয়ার ১ বছর পর সরকার পরিবর্তন হলে ফেরিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এসব অঞ্চলগুলো। সিডরের সময় কলারন প্রান্তে ফেরিঘাটের পন্টুনটি স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় ও চরে আটকে থাকে অনেক দিন। পন্টুনটি আটকে থাকলেও সেটি উদ্ধার করে ওই ঘাটে পুনঃস্থাপন করেনি কর্তৃপক্ষ।
উপজেলার চন্ডিপুর বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী মো: রফিকুল ইসলাম বলেন- মাঝে মধ্যে এই ঘাট থেকে যাতায়াত করি। সব সময় ট্রলার না থাকার কারণে আমাদের অনেক সময়ই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এই ঘাটটি আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফেরি না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নারী শিশুদের নিয়ে পারাপারে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন- এ ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু হলে ইন্দুরকানী উপজেলার সাথে শরনখোলা, সুন্দরবন, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলার সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা সহজ হবে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্যেরও একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ বলেন, কলারন সন্ন্যাসী ফেরিঘাটটি সিডরের সময় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পূনরায় ফেরিঘাটটি স্থাপনের জন্য আন্ত মন্ত্রণালয়ে একটি মিটিং সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যে পিরোজপুরের কলারন প্রান্ত, সেখানে ফেরিঘাট স্থাপনের অল্প কাজ শুরু হয়েছে। মেইন চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে বাগেরহাটের সন্ন্যাসী প্রান্তে সেখানে পানি উন্নয়নের বাজেটের ওপরে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক নির্মাণ করতে হবে ফেরি পুনরুদ্ধারের জন্য।
তিনি আরও বলেন, বাগেরহাট সড়ক বিভাগ ইতিমধ্যে প্লাটফর্ম তৈরী করে প্রাককলিত মূল্যের ছাড় এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করেছে। উর্ধতন কতৃপক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ ও কাজটি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন আসলে বাগেরহাট সড়ক বিভাগ সংশ্লিষ্ট প্রসংগে কাজ করবে। শুধু মাত্র ফেরি ঘাটটিকে পূন: স্থাপনের বিষয় রয়েছে, খুবই অল্প পরিমাণে কাজ। বাগেরহাটের কাজের সময় পিরোজপুর প্রান্তের কাজ সম্পন্ন হলে, ফেরিটি পূনরায় চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com