1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়ে বোমা ফাটালেন মুশফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৮১ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ সম্মেলন কক্ষের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক নুরুল হাসান। ভেতরে একের পর এক বোমা ফাটাচ্ছিলেন ফরচুন বরিশালের মুশফিকুর রহিম। যাঁরা ফরচুন বরিশালকে ‘বুড়োদের দল’ বলেছেন, তাঁদের এক হাত নিয়েছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। নিজের ফিটনেসকে যেকোনো তরুণ ক্রিকেটারের ফিটনেসের চেয়েও ভালো দাবি করেছেন মুশফিক।

চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকেও ছাড়েননি। বিপিএলের মান নিয়ে প্রধান কোচের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ৩৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। মুশফিকের এসব কথায় নুরুলের অপেক্ষাও বাড়ছিল।সাংবাদিকদের মনেও কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল। মুশফিকের কথার সূত্র ধরেই সে প্রশ্নগুলোর জন্ম। কিন্তু প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক এসে দাঁড়িয়ে থাকায় সংবাদ সম্মেলন আর দীর্ঘ করা যাচ্ছিল না। সে জন্যই সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে মুশফিক বের হওয়ার পর কৌতূহলী মন নিয়ে তাঁর পিছু নেওয়া। ড্রেসিংরুমের দিকে যাওয়া মুশফিকের কাছে জানতে চাওয়া হলো, ‘টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন আক্ষেপ করেন?’ উত্তরে মুখে চওড়া হাসি টেনে বেশ জোর দিয়ে মুশফিক পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘না! না! (অবসর নেওয়া নিয়ে) রিগ্রেট করি না। রিগ্রেট করার কী আছে? (হাসি)’মুশফিকের সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্স বেশ ভালো। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুশফিক। ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সেই পোস্টে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের হয়ে অন্য দুই সংস্করণ টেস্ট ও ওয়ানডেতে মনোযোগ দেওয়ার জন্যই টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মুশফিক।

এরপর দুটি বিপিএল খেলে ফেলেছেন মুশফিক। দুটিতেই তিনি দুর্দান্ত। গতবার সিলেট স্ট্রাইকার্সের ফিনিশারের ভূমিকায় খেলে ১৫ ইনিংসে তাঁর রান ৩৫৭, গড় ৩৯, স্ট্রাইক রেট ১৩২। এবার ১৪ ইনিংসে মুশফিকের রান ৩৩ গড় ও ১২৩ স্ট্রাইক রেটে ৩৬৭। গতবারের মতো এবারও তাঁর দল বিপিএলের ফাইনাল খেলছে। শুধু এই দুই বিপিএল নয়, বাংলাদেশের একমাত্র টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় মুশফিক বরাবরই ‘হাই স্ট্রাইক রেট-হাই অ্যাভারেজ’ ব্যাটসম্যান। সবচেয়ে বেশি ১২৫ ম্যাচ খেলা মুশফিকের ৩২৪৯ রান তামিম ইকবালের (৩৩৮৩) পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দুই হাজারের বেশি বিপিএল রান ও ১৩০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে মুশফিকের (১৩২) আগে শুধু একজনই, তিনি সাকিব আল হাসান (১৩৯)।

এ তো গেল মুশফিকের রানের সংখ্যা, অভিজ্ঞতা ও ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার দক্ষতাও যোগ করুন। মুশফিকের ফিটনেস নিয়ে তো কখনোই প্রশ্ন ছিল না। এমন ক্রিকেটারকে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই টি-টোয়েন্টি দলে পেতে চাইবে? এই প্রশ্নেও মুশফিকের কাটখোট্টা জবাব, ‘এটা তো এখন ভালো খেলার পর বলছেন। আগে তো কেউ এটা বলেননি।’ এরপর যোগ করলেন, ‘আমি শুধু একটা প্রশ্ন করি, আমি কি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছি নিজের ইচ্ছায়? এতটুকু শুধু বলার আছে।’

কথাটা শোনার পর কয়েক মুহূর্তের জন্য মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষের সামনে একটা অস্বস্তিকর নীরবতা নেমে আসে। সাংবাদিকদের ছোট্ট জটলাটা থমকে যায়, মুশফিক কয়েক পা এগিয়ে যান। একটু দূরে গিয়ে মাথা ঘুরিয়ে মুশফিক আবার বললেন, ‘যখন অবসর নিয়েছিলাম, তার আগের এক মাস একটু দেখে নিয়েন। আর কিছু বলার নেই।’আমিরাতের সেই এশিয়া কাপের দলে মুশফিককে সুযোগ দেওয়া নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। এশিয়া কাপের আগে ও পরে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শেষ, এমন গুঞ্জনও শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই তুঙ্গস্পর্শী সময়ে চারপাশে ভারী দেয়াল তুলে রাখলেও বাইরের আওয়াজ কানে আসবেই। মুশফিক যেতে যেতে সে সময়ের কথাটাই হয়তো মনে করিয়ে দিলেন। ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে মুশফিকের বাধ্য হয়ে বিদায় জানানোর কারণও হয়তো সেটিই।(সূত্র;প্রথম আলো)

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com