1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী তামিমের বরিশাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

রংপুর বনাম বরিশালের ম্যাচে টসটাই হয়ে থাকল ভাগ্য নিয়ন্ত্রক। চলতি আসরে এই দুই দলের লড়াইয়ে দুবারই ম্যাচ জিতেছে পরে ব্যাট করা দল। বিপিএলে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তামিম ইকবাল টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তামিমদের কাজ অর্ধেক এগিয়ে দিয়েছিলেন তার বোলাররাই। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা পার করতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি বরিশালকে।

সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আলোচনায় ছিলেন দুজন। তবে মোটাদাগে ব্যর্থ হয়েছেন তারা। মুশফিকুর রহিম, সাইফউদ্দিনরাই গড়ে দিয়েছেন পার্থক্য। দেশি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ভর করে প্রেস্টিজিয়াস এই লড়াইয়ে রংপুরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে গেল বরিশাল।

আগামী ১ মার্চ ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ২০২১ সালের বিপিএলেও ফাইনালে ছিল এই দুই দল। সেবার জয় পেয়েছিল কুমিল্লা। এক বছর বিরতি দিয়ে আবার ফাইনালে দেখা হচ্ছে এই দুই দলের।

বুধবার বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কিছুটা একপেশে ম্যাচই খেলেছে বরিশাল। রানতাড়া করতে নেমে বিপিএলে প্রথমবার নন-স্ট্রাইকে ছিলেন তামিম। কারণটা যে ফজল হক ফারুকী তা সবারই জানা। তবে এড়িয়ে গিয়ে লাভ হয়নি। তামিম আউট হয়েছেন ১০ রান করে। আবু হায়দার রনির বলে মোহাম্মদ নবীকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

একই ওভারে কাটা পড়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজও। এক বলের বিরতিতে এলবিডব্লিউতে আউট তিনি। তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিম এবং সৌম্য সরকার খেললেন ৪৭ রানের জুটি। রংপুরের কাছ থেকে ম্যাচ বেরিয়ে গিয়েছে তখনই। সাবধানী ইনিংস খেলে বরিশালকে নিয়ে গিয়েছেন লক্ষ্যের আরও কাছে।

মোহাম্মদ নবী আক্রমণে এসেই সৌম্যকে ফিরিয়েছেন। ১৮ বলে ২২ রান করে ফাইনালের পথে দলকে এগিয়ে দিয়ে যান সৌম্য। মুশফিক ছন্দে ছিলেন আজ শুরু থেকেই। কাইল মায়ার্সকে নিয়ে রংপুরের নাভিশ্বাস তুলেছেন। খুব দ্রুতগতির না হলেও খেলেছেন কার্যকরী ইনিংস। অন্যদিকে বিগশট উপহার দেন মায়ার্স। ১৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসে ছিল ৩ ছয়। আউটও হয়েছেন বড় শট খেলতে গিয়ে। বাউন্ডারি লাইনে হাসান মাহমুদ এবং রনি তালুকদারের বোঝাপড়ায় আউট তিনি।

মুশফিক বাকি কাজটা সেরে নিয়েছেন ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে। দশবছরে ৮ বার দল পালটে বিপিএল শিরোপা পাননি তিনি। এবার সেই লক্ষ্য পূরণের সুযোগটা আবার পাচ্ছেন। আর বিপিএলে পাঁচবারের টুর্নামেন্ট সেরা সাকিব এবার আসর শেষ করছেন কোয়ালিফায়ার থেকেই।

এর আগে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুর ব্যাট করতে নেমেই পড়েছিল বিপদের মুখে। ১০০ পার করবে কি না তা নিয়েই ছিল শঙ্কা। দলীয় রান ৫০ পেরোনোর আগেই নেই ৫ উইকেট। ৮০ ছুঁতে ছুঁতে নেই ৭ উইকেট। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে রংপুর ভালো কিছু করবে এমন বাজি ধরার লোক খুব কমই ছিলেন।

কিন্তু ধ্বংসস্তুপের মাঝে যেন নতুন করে জেগে উঠলেন শামীম পাটোয়ারী। করলেন এবারের বিপিএলের দ্রুততম ফিফটি। তার বিধ্বংসী ইনিংসে রংপুর পেল মোটামুটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর। ফাইনালের জন্য তামিমের ফরচুন বরিশালের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৫০ রান।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দর্শকরা নড়েচড়ে বসার আগেই শুরু হলো বরিশালের বোলারদের তাণ্ডব। বাতাসে ব্যাপক সুইং। আর তাতে দিশেহারা হয়েছে রংপুর রাইডার্স। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভার শেষে রংপুরের স্কোর ২৬ রানে তিন উইকেট। শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দিতে পারেননি জিমি নিশাম, নিকোলাস পুরান কিংবা মোহাম্মদ নবীরাও। শেষদিকে শামীম ঝড়ো ইনিংস খেললেও তামিম ইকবালের দলকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না তা।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com