1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের সব রেফারিই আর্জেন্টিনার ইরাকে খামেনির শোক মিছিলে ২৩ লাখের বেশি মানুষের অংশগ্রহণ জুলাইযোদ্ধা হওয়ার প্রায় ২০০টি আবেদনই ভুয়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ দিতে সংসদ সদস্যদের কাজ করার পরামর্শ স্পিকারের ‘আওয়ামী লীগের একটি অর্গানকেও ফাংশন করতে দেওয়া হবে না’: আবিদুল ইসলাম মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলে তাদেরসহ গ্রেপ্তার করা হবে: খায়রুল কবির ধামইরহাটে যাত্রী ছাউনি থেকে মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয় কমিটির সভা দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ছয় জন জেলে নিখোঁজ হওয়ায প্রতিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

সীমান্তে যুদ্ধের দামামা:আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সৈয়দপুর বিমানঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ভারত, নীলফামারী-ফেনীতে বিএসএফের নগ্ন আগ্রাসন ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা!

md jibon
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে গত রাতে এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে উত্তরবঙ্গের নীলফামারী, রংপুর এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ফেনী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ব্যাপক উসকানিমূলক হামলা চালিয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক ও দুঃসাহসিক ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর এলাকায়, যেখানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে। সার্বভৌমত্বের ওপর এমন নগ্ন আঘাতে পুরো দেশ আজ বিক্ষুব্ধ।
সৈয়দপুর বিমানঘাঁটিতে মিসাইল হামলা-প্রতিরক্ষা ব্যুহে আঘাতের অপচেষ্টা:- গতকাল রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসা একটি ভারতীয় স্বল্পপাল্লার মিসাইল (Short-range Missile) সৈয়দপুর বিমানঘাঁটির রানওয়ের সন্নিকটে আঘাত হানে।
* ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ:- বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, হামলায় বিমান বাহিনীর একটি হ্যাঙ্গারের আংশিক ক্ষতি হয়েছে এবং সেখানে রক্ষিত একটি প্রশিক্ষণ বিমানের ডানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
* প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়া:- বিমান বাহিনীর নিজস্ব উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হওয়ার কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর সেনানিবাস ও বিমানঘাঁটিতে ‘সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়। বর্তমানে সেখানে বিমান বিধ্বংসী গান ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ইউনিট মোতায়েন রয়েছে।
উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে বিএসএফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা:- একই সময়ে নীলফামারীর ডিমলা, ডালিয়া এবং রংপুরের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের কয়েকশ সদস্য আন্তর্জাতিক আইন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশের জিরো পয়েন্টে ককটেল ও স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিএসএফ ও উগ্রবাদী ভারতীয় নাগরিকদের একটি যৌথ দল কাঁটাতারের ওপার থেকে উচ্চৈঃস্বরে স্লোগান দেয় এবং ভীতি প্রদর্শনের জন্য শত শত রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।
অন্যদিকে, ফেনীর পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া সীমান্তেও রাত ২টার পর থেকে বারুদের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। বিজিবির চৌকস সদস্যদের কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফ সীমান্তের ভেতরে ঢোকার সাহস না পেলেও, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বিশ্বমঞ্চে ভারতের এই হামলা নিয়ে তাৎক্ষণিক তোলপাড়- আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র প্রতিক্রিয়া:- বাংলাদেশের সামরিক স্থাপনায় হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজর এখন দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের দিকে।
* জাতিসংঘের উদ্বেগ:- জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বেসামরিক এলাকা ও বিমানঘাঁটিতে হামলাকে জেনেভা কনভেনশনের পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর আলোচনা চলছে।
* বৈশ্বিক শক্তিগুলোর অবস্থান:-
* চীন ও তুরস্ক:- বেইজিং ও আঙ্কারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্টের অপপ্রয়াস বলে অভিহিত করেছে।
* যুক্তরাষ্ট্র:- ওয়াশিংটন থেকে স্টেট ডিপার্টমেন্ট আকাশসীমা লঙ্ঘনের বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে।
* আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম:- আল জাজিরা এই ঘটনাকে “সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক” হিসেবে বর্ণনা করেছে, আর বিবিসি ওয়ার্ল্ড একে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য নষ্টের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবির রণপ্রস্তুতি গ্রহণ:- ভারতের তাৎক্ষণি এমন অতর্কিত হামলার ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেওয়ার জন্য আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই সীমান্তের আকাশে বাংলাদেশের যুদ্ধবিমানগুলোকে টহল দিতে দেখা গেছে। উত্তরবঙ্গ ও ফেনী সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য ও ভারি অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (ISPR) থেকে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসলেও, স্থানীয় কমান্ডিং অফিসাররা জানিয়েছেন যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যে কোনো ত্যাগ শিকারে প্রস্তুত।
“আমরা শান্তির পক্ষে, কিন্তু আকাশসীমা বা ভূখণ্ডে আঘাত আসলে তার জবাব হবে ভয়াবহ।”- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এমন মন্তব্য উঠে আসেছে।
সমর বিশ্লেষকদের অভিমত:- প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ভারত সীমান্তের ওপারে সমরসম্ভার বৃদ্ধি করছিল। গতকাল রাতের এই সুপরিকল্পিত হামলা মূলত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করার একটি অপচেষ্টা হতে পারে। বাংলাদেশ যদি এই হামলার প্রমাণসহ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) বা জাতিসংঘে জোরালোভাবে তথ্য উত্থাপন করে, তবে ভারত বড় ধরনের আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়বে।
পুরো জাতি এখন সীমান্তের দিকে চেয়ে আছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ভারত-বিরোধী ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে কিন্তু নিয়ন্ত্রিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইকিং করে সর্বসাধারণ জনগণকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে নিরাপদ  নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান ও চলাফেরা করার কথা বলা হচ্ছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com