রেলওয়ে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রতিবছর ভর্তুকি দিয়ে আসছে রাষ্ট্র। কোন প্রকার আয় দেখাতে পাড়েনি দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে।কারন কিছু ঊর্ধ্বতন রেল কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে।রেলওয়েতে লোকসান দেখাচ্ছে প্রতি বছর এতে রাজস্ব হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা।সামান্য এই রেল কর্মকর্তার দুর্নীতি দেখলে অবাক হয়ে যাবেন। ফাকরুল আলম মানিক সে ২০০৪ ইং সালে সরকারি স্টেশন মাস্টার নিযুক্ত হয়। তার পরেই তার ভাগ্য খুলতে থাকে। এবং আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যায় আ. লীগের সময় থেকে দুই দুইবার পদোন্নতি হয়ে এ,টি,ও হন তিনি।কিন্তু সরকারি চাকরি হিসাবে যখন পদোন্নতি হলে তখন তাকে পোস্টিং দেওয়া হয় অন্য রেলওয়ে বিভাগে। কিন্তু স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে আজও ১৮ বছর ধরে তার চেয়ারে বহাল রয়েছে এই ফারুকুল আলম মানিক। তার দাপটে এখনো চলছে রেলওয়ে ম্যানেজার ও কন্ট্রোল অফিস। সে এক জন দূর্নীতিবাজ ফারুকুল আলম মানিক ওরফে দরবেশ বাবা।
আ. লীগে সরকারের সময় নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারী বদলিজনিত ব্যাপারে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস খেয়েছে তিনি। টি,এল,আর চাকুরী দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকেন তিনি।এবং মোটরসাইকেল চালানোর জন্য ড্রাইভারের নিয়োগ দিয়েছে শুধু তাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাবার জন্য।কোন কাজ নেই কিন্তু তাকে টি,এল,আরে নিয়োগ দেখিয়ে বেতন প্রদান করে। । এবং তার বাড়ি কাজের মহিলার দুই ছেলেকেও চাকরি দিয়েছেন তিনি।সাথী নামের মেয়েকে পয়েস ম্যানে চাকরি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার কারশিমায় মেয়ে চাকরি করে তার বাবা দুলু মিয়া এখনো তার ক্ষমতার দাপটে চলছে রেলওয়ে কন্ট্রোল অফিস।
১৮ বছরে কয় টাকা বেতন পেয়েছে? এবং তার অর্থ সম্পদ দেখলে অবাক হয়ে যাবেন। এবং তার বউয়ের বাপের বাড়িতে যে সম্পত্তি রয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার যা ৪০ বছর চাকরি বেতন দিয়ে সম্ভব হবে না। রেলওয়ে থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই ফারুকুল আলম মানিক।ডি,এ