তিনি জানান, এখনো চূড়ান্তভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত না হলেও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে ব্যবহার করা হবে ২৯টি বডি অন ক্যামেরা (উইথআউট লাইভ) এবং অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ চারটি কেন্দ্রে থাকবে লাইভ বডি অন ক্যামেরা। ইতোমধ্যে এসব ক্যামেরার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার ভিডিপির সমন্বয়ে ১৫ থেকে ১৬ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে তিনজন এবং তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বা সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে দুইজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
এছাড়া প্রতি পাঁচটি কেন্দ্রের জন্য পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি করে মোবাইল টিম মাঠে থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত স্ট্রাইকিং মোবাইল ফোর্সও সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। প্রতিটি স্ট্রাইকিং ফোর্সে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য থাকবেন এবং নেতৃত্ব দেবেন একজন ইনস্পেক্টর অথবা এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
ওসি মেহেদী মাকসুদ আরও বলেন,
“পুলিশ রাষ্ট্র ও জনগণের সেবক। সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে যে কোনো সময় পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।”
উল্লেখ্য, একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কেন্দুয়া থানার আওতায় মোট ৯৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯১৬ জন। এই আসনে এবারের নির্বাচনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।