1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

দোহারে শুকুর সাহেব স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

টান টান উত্বেজনা ও শ্বাসরুদ্ধকর খেলার মধ্যে দিয়ে ঢাকার দোহারে শুকুর সাহেব স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।খেলার শুরুতেই লটাখোলা এফসির খেলোয়ার ইসমাইলের গোলে ১-০ তে এগিয়ে থাকে লটাখোলা। এরপরে দু দলই আক্রমান পাল্টা আক্রমনের মধ্যেদিয়ে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে। বিরতি শেষে খেলার শেষ মিনিটে কার্তিকপুর একাদশ এর খেলোয়ার আরিফুল ইসলামের গোলে সমতায় ফিরে কার্তিকপুর একাদশ। পরে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। লটাখোলা এফসিকে ৫-৪ গোলে পরাজিত করে টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন হয় কার্তিকপুর একাদশ।

নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়বুর রহমান তরুনের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

খেলা শেষে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন দলকে ১ লক্ষ টাকা ও রানারআপ দলকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, দোহার পৌর মেয়র মোহাম্মদ আলমাস উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম, দোহার সার্কেলের এএসপি আশরাফুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আনার কলি পুুতুল, ঢাকা জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য বজলুর রহমান কামাল, সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাখাওয়াত হোসেন নান্নু, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. বিল্লাল হোসেন, সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ গুহ টুটুল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন ভূইয়াসহ সহ আরো অনেকে।

খেলার সার্বিক পৃষ্টপোষক ছিলেন নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদ মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নয়াবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জামিল মাহমুদ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com