1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

মাগুরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা: স্বামী ও সতীনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নওয়াব আলী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

​মাগুরা সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার জেরে এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও সতীনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই মোঃ শিমুল বাদী হয়ে ৮ এপ্রিল মাগুরা সদর থানায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

​ঘটনার বিবরণ

​এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৫ বছর আগে লস্কাপুর গ্রামের মোঃ ছরোয়ার শেখের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সাথে একই উপজেলার বড়খড়ি গ্রামের নাছিরুল ইসলামের বিয়ে হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই নাছিরুল ইসলাম অন্য নারীর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং তার প্রথম স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সাবিনা ইয়াসমিনের অনুমতি ছাড়াই ২নং আসামী শাহিনা বেগমকে বিয়ে করেন।

​বাদী জানান, গত ০৬ এপ্রিল (সোমবার) বিকেলে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগীর ঘরে প্রবেশ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ১নং আসামী নাছিরুল ইসলাম রশি দিয়ে স্ত্রীর গলা পেঁচিয়ে ধরেন এবং ২নং আসামী শাহিনা বেগম তার পেটের ওপর দাঁড়িয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন। এসময় অন্য আসামীরা ভুক্তভোগীকে কিল-ঘুষি মারে এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে।

​উদ্ধার ও বর্তমান অবস্থা

​ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াসমিনের ছোট ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম (১১) ঘটনাটি দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। পরে পুলিশ ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে (ICU) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​মামলার আসামীগণ

​মামলায় অভিযুক্তরা হলেন:

মোঃ নাছিরুল ইসলাম (স্বামী),মোছাঃ শাহিনা বেগম (সতীন),মোঃ রুহুল আমিন,মোছাঃ সাবিনা খাতুন

ও মোঃ আকিদুল ইসলাম।

মেয়ের পিতা মোঃ ছরোয়ার শেখ বলেন আসামীরা আমার মেয়েকে প্রায় মেরেয় ফেলেছি।আল্লাহর রহমতপ সে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরেছে।আমি আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।

​পুলিশের ভাষ্য

​মাগুরা সদর থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেছেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com