1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন ভারতের ককরোচ পার্টির সংসদ অভিমুখী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ১৭০০ কোটি ডলার মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিতে আহবান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর হারের পরেও বীরের সম্মান, আর্জেন্টিনায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা অনিরাপদ পথ ব্যবহারের সময় হরমুজে ২টি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বাংলাদেশের চিঠি

ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের আমৃত্যু, ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান।

মো. আরফান আলী :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে
প্রায় দেড় দশক আগে সংঘটিত ঠাকূরগাঁওয়ের বহুল আলোচিত একটি শিশু ধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। রোববার ১৯ জুলাই ঠাকূরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর মামলার রায় ঘোষণা করেণ। এতে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালত দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে অর্থ দণ্ড ও আরোপ করেণ। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সাজাপ্রাপ্তদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার রায়ে মো. আনিস রানা, সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপরাধী কে  মো. আনিছুর, মো. খতিবুর খতু ও মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হন। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে কয়েকজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। ভূক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় একজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং কয়েকদিন পর সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১৫ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়, রায় ঘোষণার সময় আমৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী মো. আনিস রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে আদালতে উপস্থিত দণ্ডিতদের সাজা কার্যকরের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com