1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

টানা চতুর্থবারের মতো যশোর জেলা ফুটবলের সর্বোচ্চ সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন মিঠু

আহম্মদ আলী
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

টানা চতুর্থবারের মতো আবারও জেলা ফুটবলের সর্বোচ্চ সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন মিঠু।  জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আসাদুজামান মিঠু ২০১২ সাল থেকে ।

যশোর জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র জমাদানের দিন। এদিন আসাদুজামান মিঠুর নেতৃত্বাধীন ফুটবল উন্নয়ন ও অগ্রগতি পরিষদ ১৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। আর কোন পরিষদ বা কেউ মনোনয়ন পত্র দাখিল করেননি। সে কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারাই নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি মাত্র।

সভাপতি পদে আসাদুজামান মিঠু, সহসভাপতি মঈনুর জহুর মুকুল ও আব্দুল মান্নান, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান ডাবলু, নির্বাহী সদস্য পদে আলমগীর সিদ্দিকী, সাব্বির আহমেদ পলাশ, কাজী তৌফিকুল ইসলাম শাপলা, বিশ্বজিৎ সাহা, রফিউজ্জামান, শেখ ইমামুল কবির, শুভ্র পারিজাত বিশ্বাস, সঞ্জয় কান্তি ঘোষ ও মাসরুল আলম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ পরিষদের হাতেই আগামী চার বছর থাকবে ফুটবলের উন্নয়নের দায়িত্ব। সভাপতি পদে মনোনয়ন দাখিলকারী আসাদুজামান মিঠু ২০১২ সাল থেকেই সভাপতির দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও সভাপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি পদে রয়েছেন মঈনুর জহুর মুকুল ও আব্দুল মান্নান। কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান ডাবলু তিনিও দীর্ঘদিন সংস্থায় থেকে ফুটবলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনিও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এছাড়া কমবেশি সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদে থেকে ফুটবলকে গতিশীল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে মনোনয়ন দাখিলকারী আলমগীর সিদ্দিকী ও সাব্বির আহমেদ পলাশের।

আসাদুজামান মিঠুর নেতৃত্বাধীন ফুটবল উন্নয়ন ও অগ্রগতি পরিষদের পক্ষ থেকে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে নতুন মুখ জেলা দলের সাবেক ফুটবলার বিশ্বজিৎ সাহা, সংগঠক শেখ ইমামুল কবির, সাবেক ফুটবলার শুভ্র পারিজাত বিশ্বাস, সঞ্জয় কান্তি ঘোষ ও মাসরুল আলম কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই জয় পেতে যাচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে আসাদুজামান মিঠু জানান, আমরা ফুটবলকে গতিশীল করতে চায়। মত পার্থক্য থাকতে পারে। এই মত পার্থক্য যদি টোটাল ফুটবলকে ধ্বংস করে তা হলে ক্ষতি তো জেলার। অতীতে ও বর্তমানে যারা ফুটবলকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত চেষ্টা করবো তাদেরকে ফুটবলের স্বার্থে কাছে টেনে আনার। আশা করি সবার সার্বিক সহযোগিতা পাবো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com