1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: কুখ্যাত বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক দেবীগঞ্জের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রান্তে নতুন সম্ভাবনা – সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেলেন ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান কাজিপুরে শুরু হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা: অংশ নিচ্ছে ৪৮৪২ শিক্ষার্থী নওগাঁয় ৪০ বোতল এস্কফ (ফেন্সিডিল) সহ একজন গ্রেফতার পত্নীতলায় নবাগত ইউএনও রিফাত আরা সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যসাক্ষাৎ কাঠালিয়ায় গ্রাম আদালত নিয়ে আলোচনা সভা ও ভিডিও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত কুমারখালীর সোন্দাহ কমিউনিটি ক্লিনিকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ সূচনা- ‎কুমারখালী সরকারি কলেজের ক্রীড়া সাফল্য: জেলা পর্যায়ে কাবাডিতে চ্যাম্পিয়ন, ব্যক্তিগত ইভেন্টেও শীর্ষে সলঙ্গায় ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর নিয়ামতপুরে একি পরিবারের ৪ সদস্য কে গলা কেটে হত্যা।

মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সুসংগঠিত

আহসান হাবিব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমূল ইউনিয়নের বেতগাড়ী গ্রামের মীর পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা জনাব অধ্যক্ষ মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সুসংগঠিত।মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। দীর্ঘদিন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ধারক ও বাহক হিসেবে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।মীর শাহে আলমকে অত্র এলাকার মানুষ অত্যন্ত ভালবাসে।কখনো দলের বাহিরে কিছু করার চেষ্টা করেনি।

দীর্ঘদিন লড়াই সংগ্রাম করে করেছেন এখনো করছেন।স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনে তার উপর দেয়া হয় অনেক মিথ্যা মামলা বহুবার জেলেও গিয়েছেন যে সময়ে কথা বলতে অনেকে ভয় পেত, কিন্তু মীর শাহে আলম কখনো দমে জাননি।দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ক্ষমতার বাহিরে থাকা দলের নেতা কর্মীকে সুসংগঠিত করেছেন।তিনি মানুষের হার্টবিট বুঝতেন এজন্যই অধ্যক্ষ মীর শাহে আলমের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে।৫ ই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার সরকারের পতনের মধ্যদিয়ে এই বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীন হয়।

বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি এমন মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম। গত ১০ আগস্ট শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির শান্তি ও সম্প্রীতি সমাবেশে হাজার হাজার জনতার সামনে এমন মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম।তিনি বলেন বিএনপির আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি,বিএনপি যে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এ দেশের সাধারণ মানুষকে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময় আন্দোলন করে গেছে সেই ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে শক্ত অবস্থানে থাকার আহবান জানিয়েছে।তিনি আরো বলেন “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এক ঐতিহ্যবাহী দল এ দলকে ফু দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া যাবেনা।অনেক ষড়যন্ত্র চলছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।বিএনপি চায় মানুষের ভোটের অধিকার, বিএনপি চায় মানুষের ভাত কাপড়ের অধিকার।”এই শান্তি ও সম্প্রীতি সমাবশে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ,জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজশাহী শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com