1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে টাইগাররা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকের ঘড়বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সম্বলহীন হয়ে পড়েছেন অনেকেই। এমন অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারা। উপকূলীয় অঞ্চলে যাদের বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, তাদের ঘরবাড়ি পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে তাদের জন্য সুপেয় খানার পানির ব্যবস্থাও করেছেন তামিম-মুশফিকরা।

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বাংলানিউজকে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্রিকেটারা যে অর্থ দান করেছেন সেখান থেকেই কিছু টাকা আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দান করা হচ্ছে। পাশপাশি তাদর বিশুদ্ধ খাবার পানিরও ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

বুধবার রাতে নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রথম এই খবর জানায় ফুটস্টেপস। জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তারা লিখে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ঘূর্ণিঝড় আম্পান দ্বারা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিধ্বস্ত বাড়িগুলি পুনঃনির্মাণে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়াতে আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ ও উচ্ছ্বসিত। তাদের সহায়তায় অনেক পরিবারেরই আর নিরাপদ আশ্রয় ছাড়া ঘুমানোর চিন্তা করতে হবে না। অসংখ্য ধন্যবাদ টাইগারদের, আম্পান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের জীবিকা পুনরুদ্ধারে আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য।’

ছবিটি তামিম ইকবালের কাছ থেকে সংগৃহীতএ ব্যাপারে তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা (করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য) যে টাকাটা দান করেছিলাম, অর্থাৎ ২৫ লাখ টাকা, ওই টাকা থেকেই আমরা ওখানে কিছু টাকা দান করেছি যাদের ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে তাদের সেগুলো পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার জন্য। ফুটস্টেপের (স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান) সঙ্গে কাজটা করেছি কারণ তাদের চিনি এবং তারা খুব ভালোভাবে কাজটা করে, বিশ্বস্ত। আর আমাদের পক্ষে এখন ওই জায়গায় গিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া সম্ভব না। কারো মাধ্যমে তো যেতেই হবে যাদেরকে আমরা বিশ্বাস করি। এ কারণেই ওদের সঙ্গে কাজটা করা। মানুষের উপকার হোক এটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি করি বা অন্য কেউ করুক সেটা বড় বিষয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া আমরা ৬-৭ হাজার লিটারের বড় বড় গাজী ট্যাংক ওখানে পাঠিয়েছি। ওখানে পানির খুব সমস্যা, মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারছে না। আমাদের সবার পক্ষ থেকে এটা করা হয়েছে, একার পক্ষে তো করা সম্ভব না। পুরো বাংলাদেশ টিমের পক্ষ থেকে যা পারছি একটু করে হেল্প করার চেষ্টা করছি।’

এর আগে জাতীয় দলে ২৭ জন ক্রিকেটার মিলে ২৫ লাখ টাকা দান করেছিলেন করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্য।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com