1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ২১ দফা দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরে বিএম ডিসি অ্যাক্ট ২০১০ বাতিলসহ ২১ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা মানববন্ধন করেছেন। সর্বস্তরের পেশাজীবী উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বেকার ডিপ্লোমা চিকিৎসক ও সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের (এসডিএমএস) ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।এসময় বক্তব্য দেন এসডিএমএস’র জেলা কমিটির আহ্বায়ক শেখ মজিবুর রহমান, সদস্য সচিব এহতেশামুল গণি ফাহাদ, সদর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মাকসুদুর রহমান ভূঁইয়া, সদস্য সচিব হরিপদ মজুমদার টুটুল, মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, জাকির রহমান রাসেল ও কামালুর রহিম সমর।
বক্তারা বলেন, ২০১০ সালে একটি আইনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের নামের আগে ডাক্তার পদবী বাতিল করা হয়। ৮৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা প্রদানে সুপ্রিম কোর্টে চলমান মামলায় নামের আগে ডাক্তার ব্যবহারের অধিকার দিতে হবে। বিএম ও ডিসি অ্যাক্ট ২০১০ স্বৈরশাসকের কালো আইন বাতিল করতে হবে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সবধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। অধিদপ্তরের বিভাগীয় সকল কমিটিতে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও নিয়োগ ও পদোন্নতির দাবি জানান তারা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com