1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

না’গঞ্জ শহীদ মিনারে প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের জুয়ার আসর

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

নগরীতে শহীদ মিনার এখন নানা অপরাধ কর্মকান্ডের আখড়া হিসবে পরিনিত হয়েছে। জুয়া,মাদক,ইভটিজিংসহ নানা অপকর্মের জন্য এখন অপরাধীদের অভয় আরণ্যস্থল হিসেবে গড় উঠেছে এই শহীদ মিনার প্রাঙ্গন। গত ৫ আগষ্টের আগে বিগত সরকার দলীয় লোকদের নিয়ন্ত্রনে ছিলো পুরো শহীদ মিনার। সকল অপকর্মের মূল হোতা ছিলো একটি বাহিনী। তবে ৫ আগষ্টের পরে এখন চলছে কাদের নিয়ন্ত্রনে?গতকাল সকালে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেধিতে এক দল তরুণ-তরুণী প্রকাশ্যে জুতা পায়ে,হাতে জুয়ার কার্ড নিয়ে জুয়ার আসর বানিয়ে বসেছিলো। শুধু গতকালই না এমন দৃশ্য হরহামেশাই চোখে পড়ে এইখানে। স্কুল কজেলের শিক্ষার্থীদের এমন বেপরোয়াপানা নষ্ট হচ্ছে শহীদ মিনারের প্রবিত্রতা ও সোন্দর্য।শহীদ মিনারটি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরশনের আওয়াতাধীন হলেও সিটি কর্পোরেশন থেকে নেই কোন নিরাপত্তা বা প্রতিনিয়ত পরিসস্কার পরিছন্নতার ব্যবস্থা।পুরো শহীদ দখলে রয়েছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা তরুন-তরুণী  ও নানা বয়সের মানুষদের।সরকার পতনের পূর্বে শহীড মিনারে প্রতিনিয়ত পুলিশের একটি টহল টিম থাকলেও এখন আর সেই চিত্র চোখে পরে না বললেই চলে। প্রশাসনের এমন নীরব ভূমিকাকে কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে একদল তরুণ-তরুণী। তারা প্রতিনিয়ত কোন না কোন কারনেই বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে শহীদ মিনারে।স্থানীয় এক ব্যাক্তি জানায়,প্রতিদিনই এইখানে স্কুল,কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা আসে। এদের মধ্যে অনেকি অনেক বেপরোয়া ভাবে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে নানা অপরাধ কর্মকান্ড করে থাকে। এদেরকে এই বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলেই দল,বল নিয়ে এসে তারা হামলা করে সেই ব্যাক্তির উপর তাই ভয়ে এদের কেউ কিছুই বলেনা। তবে,আগে প্রশাসনের তৎপরতা ছিলো তাই আগে এমন ভাবে প্রকাশ্যে কেউ অপরাধ কর্মকান্ডে লিপ্ত হতো না শহীদ মিনারে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকাকে কাজে লাগিয়ে চলছে তাদের এমন অপরাধ কর্মকান্ড।নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় এক পত্রিকার সাংবাদিক বলনে,আমি প্রায় সময়ই শহীদ মিনারে আসি নানা চা খেয়ে একটু সময় নিরিবিলি ভাবে বসে সময় কাটানর জন্য, তবে এইখানে এসে যে দৃশ্য চোখে পড়ে আসলে এইগুলো মেনে নেওয়া কষ্টকর। প্রকাশ্যে ছেলেপেলে মিনারের বেধিতে বসে জুতা পায়ে ধুম্পান করেছে অন্যদিকে তরুন-তরুণীরা প্রকাশ্যেই মেতে থাকে অশ্লীলতায়। আসলে এমন চিত্র শহীদ মিনানের জন্য কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমি একজন সাধারন নাগরিরক হিসেবে প্রশাসন ও শহীদ মিনার সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুত শহীদ মিনারের সোন্দর্য রক্ষার্তে ব্যবস্থা গ্রহন করুন।এই বিষয়ে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলামকে কল করলে তিনি বলনে,আমি আমার উর্ধতন কর্তপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com