1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

রাজশাহীর তানোরে আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সংখ্যালঘুর ক্রয়কৃত জমিতে রাতে বিল্ডিং বাড়ি নির্মানের ভীত

মোঃ নাসিরউদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে
তানোর উপজেলার ১৪৪ধারা উপেক্ষা করে বাড়ি নিমানঢালাইয়ের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। তবে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আদালতের আদেশের ১৪৪ ধারার নোটিশ জারি করলেও প্রভাবশালীরা এসবের তোয়াক্কা করছেন না। ফলে, অসহায় হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী ওই সংখ্যালঘু। ঘটনাটি ঘটেছে তানোর পৌর এলাকার সদরের হিন্দু পাড়া মহল্লায়।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শি ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা গেছে, তানোর মৌজা, জে-এল নং ১৪৪, আরএস খতিয়ান ৩৩৭, প্রস্তাবিত খতিয়ান ১৬৫৯, রকম বাড়ি (বর্তমানে ফাঁকা জায়গা) ৯৩ শতকের কাত সাড়ে ২৪ শতক এবং ৩৩৮ নং খতিয়ান, দাগ ১৭৬০, রকম ধানী, সাড়ে ৫১শতক জমির মুল মালিক নারায়ন চন্দ্র দাসের কাছ থেকে একই গ্রামের শ্রীমতি হারানী রানী দাস ক্রয় করেন। জাহার দলিল নং ২১০৬৮, তারিখ: ২১/০৪/১৯৭৫ উক্ত জমির ওয়ারিশ সুত্রে একমাত্র সন্তান নিমাই কান্ত দাসের কাছ থেকে গোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত করুনা কান্ত সাহার পুত্র বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহা বিক্রয় করেন। (যাহার দলিল নং ৩৫৫০, তারিখ ২৯/০৮/২০২১)। উক্ত জমি বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহা কাজনা খারিজ ও হোল্ডিং খুলে ডিসিআর সম্পূর্ণ করে ভোগ দখল করে আসছেন। গত ৬ ডিসেম্বর সংখ্যালঘু বিশ্বানাথের দখলীয় জমিতে পার্শ্বের জমির মালিক ওসমান আলী ও তার পুত্র বাবুল জবর দখল করে সেখানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি খুড়তে শুরু করেন। এসময় বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহার বর্গাদার আবুল কালাম বাঁধা নিষেধ করলে তাকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে প্রতিপক্ষ ওসমান আলী ও তার পুত্র বাবুলসহ তার লোকজন।এঘটনায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার সার্থে বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহা বিবাদীদের বিরুদ্ধে জেলা রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারার একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ১৪৪ ধারা জারি করে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু বিবাদীগন আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে রাতে বিল্ডিং বাড়ি নির্মানের জন্য ভীত ঢালাইয়ের কাজ করছেন।এবিষয়ে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আদালতের আদেশ জারির জন্য তানোর থানার এএসআই খাইরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তানোর থানার এএসআই খাইরুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ জারি করে বিবাদীদেরকে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। যদি কেউ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com