1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

রাজশাহীতে ওয়াসার দুর্গন্ধ পানি, নেসকোর মিটার বাতিল, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে হুশিয়ারি মানববন্ধন

মিলন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী ওয়াসার নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরবরাহ বন্ধ, নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহের নিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্যে নিয়ন্ত্রণ, নেসকোর প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন করেছে উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ সামাজিক সংগঠন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।২১ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।কর্মসূচিতে রাজশাহীর বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের ব্যানারে কয়েকশ’ মানুষ অংশ নেন।বক্তারা বলেন,রাজশাহী ওয়াসা যে পানি নগরবাসীকে সরবরাহ করছে তা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সম্প্রতি ওয়াসার পানিতে কলিফর্ম নামক ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে যা মানবদেহের জন্য চরম ঝুকিপূর্ণ ও ক্ষতিকর। এই পানি খেয়ে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে, ডায়রিয়া হচ্ছে, বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ হচ্ছে,চুল উঠে যাচ্ছে, দুর্গন্ধের জন্য পানি ব্যবহার করা যায় না ঠিকমতো অথচ পানির গুনগতমান বৃদ্ধি না করে অস্বভাবিক দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ওয়াসার পানির দাম বৃদ্ধি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত দাবি করে অবিলম্বে সুপেয় পানি সরবরাহ ও পানির দাম সহনীয় পর্যায়ের রাখতে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হয়। জানুয়ারির মধ্যে পানির দাম নির্ধারণে ওয়াসাকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।নেসকোর প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, বিদ্যুতের সেবার নামে মানুষের পকেট কাটার ছক কষে নেসকো বিদ্যুৎ গ্রাহকের অজান্তেই টাকা লুট করছে, মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ অহেতুক নেওয়া হচ্ছে।নেসকোর প্রিপেইড মিটার বাতিল, ভৌতিক বিল আদায় বন্ধ, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতসহ গ্রাহক হয়রানি বন্ধসহ নেসকোর অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়।বক্তারা বলেন, গ্রাহকরা তাদের ইচ্ছেমত মিটার ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে নেসকোর অর্পিত কোনো মিটার গ্রাহকের ঘাড়ে চাপানো যাবে না। নেসকো মিটার রিডিং না করেই ইচ্ছেমতো বিল তৈরি করছে। যা গ্রাহকের মারার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা রাজশাহীর গ্রাহকরা কখনো মেনে নেবে না।
তাই অবিলম্বে গণশুনানি করে বিদ্যুতের মিটার ও বিদ্যুতের বিল যৌক্তিক পর্যায়ে আনার জোর দাবি করা হয়।বক্তারা বলেন,পবিত্র রমজান মাস আসছে, তার আগেই ভোগ্যপণ্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবেদ্রব্যমূল্য ও খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার রক্ষার জোর দাবি জানানো হয়।জনগণের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে খাদ্য ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন ।রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান,অ্যাডভোকেট হোসেন আলী পেয়ারা, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য আফজাল হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ, ছাত্রনেতা জাহিদ হাসান,রাজশাহী সার্ভে ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান, পবার হড়গ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক আলহাজ হারুনার রশিদ, প্রকৌশলী জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজশাহী মহিলা ওয়েব সভাপতি আনজুম আরা পারভীন লিপি সহ আরো অনেকে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com