1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

” জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই” কুড়িগ্রামে তিস্তা নদী রক্ষায় সংবাদ সম্মেলন

মোঃ রেজাউল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

১৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৫,

কুড়িগ্রামে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে তিস্তা নদীর ন্যায্য পানির হিস্যা আদায় ও মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটায় কুড়িগ্রাম পৌর শহরের উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আয়োজনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, তিস্তা নদী রক্ষা কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিবসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, আগামী ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে দুই দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হবে। এই কর্মসূচিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন। রংপুর বিভাগের তিস্তা পাড়ের ১০টি স্পটে এই কর্মসূচি পালিত হবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, তিস্তা নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ১১৫ কিলোমিটার এবং দুপাড়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩০ কিলোমিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীর ৪৫ কিলোমিটার এলাকা ভাঙন প্রবণ, যার মধ্যে ২০ কিলোমিটার এলাকা ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে। কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কয়েক লাখ কৃষক প্রতিবছর বন্যা ও খরার কারণে কৃষিক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও মেগা প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। এছাড়াও নদী রক্ষায় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com