1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

জামায়াত নেতা আজহারকে মুক্তি দিন, না হয় ৩ কোটি মানুষকে জেলে নিন- লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

মুশফিকুর রহমান সৈকত
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ৬ মাস অতিবাহিত হলেও তার ফ্যাসিবাদের বোঝা বয়ে চলেছেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম। দীর্ঘ ১৩টি বছর তিনি কারাগারে বন্দিজীবন কাটিয়ে আসছেন। আমরা তার এখনই মুক্তি দাবি করছি। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আজহারকে মুক্তি দেওয়া না হলে স্বেচ্ছায় নিজেকে কারাবাসের পূণঃঘোষণা দিয়ে বলেন, না হয় সাড়ে ৩ কোটি মানুষকে জেলে নিন। শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত গণ জমায়েত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তিনি বলেন।
আমীরে জামায়াত আরো বলেন, লক্ষ্মীপুরকে একটি কুখ্যাত পরিবার সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছিলো। মানবিক ডাক্তার জামায়াত নেতা ডা. ফয়েজ আহমেদসহ অসংখ্য মানুষ খুন করে তারা। ৫৩ বছরেও দেশের মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে। সোনার বাংলার বিপরীতে শ্মশানের বাংলা তারা উপহার দিয়েছে। ২৪’র আন্দোলনে ছাত্ররা বুক ভরা আশা ও বিশাল স্বপ্ন নিয়ে স্বৈরাচার হটিয়েছে। জেলা জামায়াত আমীর মাস্টার রুহুল আমিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ওষুধ শিল্প সমিতির সেক্রেটারি ডা. আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা অঞ্চল পরিচালক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী ভুইয়া, মাওলানা আলা উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর জেলা নায়েবে আমির এ আর হাফিজ উল্যাহ ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট হাসিবুর রহমান। জেলা সেক্রেটারি ফারুক হোসাইন নুরনবীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, শহীদ ডাক্তার ফয়েজ আহমদের ছেলে ডা. হাসানুল বান্না, ফেনী জেলা আমীর মুফতি আবদুল হান্নান, নোয়াখালী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমদ, লক্ষ্মীপুর জেলা সহ-সেক্রেটারী মাওলানা নাসির উদ্দীন, এডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ, আবুল ফারাহ্ নিশান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক আরমান হোসেন ও শিবিরের শহর সভাপতি ফরিদ উদ্দিন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com