1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তদন্তে মিলল না জামায়াত নেতার দাবি, চাঁদাবাজির অভিযোগই জোরালো ডুবন্ত পণ্যবাহী কার্গোতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশের সন্দেহ নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার মন্ত্রীর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের জামিন জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন বাজেটে মোট ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকা, কমছে সরকারি ব্যয়: সংসদে অর্থমন্ত্রী কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত, আর এক খেলার পেছনে গোটা পৃথিবীর উন্মাদনা: আহমাদুল্লাহ আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার পেল ইসলামী ব্যাংক ‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

পাঁচবিবি উপজেলার পুরুষ আসক্ত শিক্ষক সাজেদুল ইসলাম সাজু জেল হাজতে।

Abdul Kader
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞানের পুরুষ আসক্ত শিক্ষক সাজেদুল ইসলাম সাজুর জামিন না মঞ্জুর করে জয়পুরহাট জেলা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক তাকে ০৪/০৩/২০২৫ রোজ মঙ্গলবার জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

এই আদালতে গত ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে ১৮/২০২৫ নারী ও শিশু পিটিশন নং মামলা পরবর্তী (৫৬/২৫) দায়ের করেন পাঁচবিবি উপজেলার গণেশপুর গ্রামের মৃত ফরেজ বক্ম তালুকদারের পুত্র রফিকুল আলম নান্টু তালুকদার।
রফিকুল আলম নান্টু জানান, তার পুত্র ভাষানী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাজেদুল ইসলাম সাজু গত ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নান্টুর ছেলেকে বাড়ির পার্শ্বে ডেকে নিয়ে গিয়ে দুই হাত দিয়ে জড়ায়ে ধরে ও গালে কামড় এবং তার গোপনাঙ্গে হাত দেয়। এরপর থেকে ছেলেকে অন্য মনস্ক দেখতে পেয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে নান্টুকে এই কথা গুলো জানায়। তার গালে কামড়ের লাল গোলাকার চিহ্নের দাগ দেখতে পায়। তাকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত দেখে।
এ বিষয়ে বিচার চেয়ে ছাত্রের বাবা নান্টু তালুকদার গত ১২ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের নিকট লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে দিয়েছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা।
দফায় দফায় সরেজমিনে তদন্ত করেন পাঁচবিবি উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাজেস প্রসাদ রায়,  উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মাহাবুব রহমান ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। তদন্ত রিপোর্টে নান্টু তালুকদারের অভিযোগের সত্যতা ও বেশ কিছু সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদান করেন।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেও প্রতিকারের ভরসা না পেয়ে নান্টু তালুকদার জয়পুরহাট জেলা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন।
এই মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে গত মঙ্গলবার জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com