1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

রাজশাহীতে মহিলা লীগ নেত্রী হাফিজা বেগম হ্যাপি আটক

মোঃ নাসির উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি হাফিজা বেগম হ্যাপি আটক হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিয়ার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, হাফিজা বেগম হ্যাপি ১৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং চন্দ্রিমা থানা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভা নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি গা ঢাকা দেন।
গত সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার কিছু বিতর্কিত ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সাথে হ্যাপি অনেক ছবি তুলেছেন। এছাড়া, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর হেলমেট পড়ে এবং হাতে লাঠি নিয়ে হামলা চালানোর ছবিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
হ্যাপির বাড়ি চন্দ্রিমা থানার মোড় থেকে ৫০০ গজ উত্তরে বাররাস্তার মোড়ে। তার স্বামী সুজা উদ্দিন। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে, বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় তাকে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে নগরীর কোনো থানায় অভিযোগ বা মামলা না থাকলেও, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এদিকে, হ্যাপির আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজন থানায় জড়ো হতে শুরু করে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, হ্যাপি সরকার পরিবর্তনের পর ভিন্ন মতাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলায় হামলা এবং জমি দখল করে তিন তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে থানায় দালালি কাজের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, সাবেক মেয়র লিটনের যাতায়াত ছিল তার বাড়িতে এবং তার মেয়ে সুমিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনে স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরি দিয়েছিলেন। তবে, ৫ আগস্টের পর সুমি আর নগর ভবনে যাননি।
চন্দ্রিমা থানার যুবদলের সাবেক সদস্য নাসিব (৩৫) অভিযোগ করেছেন, ৩ আগস্ট, হ্যাপি ও তার কর্মীরা তার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তার মা’র ওপর হামলা চালিয়েছিলেন এবং বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছিল।
এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানা পুলিশের ওসি মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, স্থানীয়রা হ্যাপিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাকে “তদন্তে প্রাপ্ত” আসামি হিসেবে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com