1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

কালিগঞ্জের আওয়ামীলীগের অধিকাংশ সন্ত্রাসীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে, দ্রুত গ্রেফতার দাবী

আর. ফেরদৌস রনি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের আওয়ামী লীগের অধিকাংশ সন্ত্রাসীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে। কেউ দেশে এবং কেউ দেশের বাহিরে পলাতক। ২০০৮ সালের ২৯ শে ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট এর পূর্ব পর্যন্ত চলে এদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এহেন কোন করমকান্ড নাই যা এদের দ্বারা সংগঠিত হয়নি। ২০১৩ সালের নির্বাচনের পর এদের কর্মকান্ড আরো বিস্তার লাভ করে। তানভীর আহমেদ উজ্বল ওরফে ফারুক আহমেদ উজ্বল। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সপাদক। নিজেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সাংসদ এস এম জগলুল হায়দার এর পিএস পরিচয়ে এলাকাব্যাপী সন্ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তোলে। বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়ি ঘরে হামলা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা আদায়, মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় ছিলো তার আয়ের উৎস। সে নিজে বাদী হয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সাংসদ কাজী আলাউদ্দীন সহ অসংখ্য নেতাকর্মীদের নামে মামলা করে। শেখ শাহজালাল ওরফে বোমা শাহজালাল। সে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী। অন্যের জমি দখল, ঘের দখল, চাঁদাবাজি
এমন কোন অপকর্ম নেই যার সাথে তার সম্পৃক্ততা ছিলো না। তার বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হত্যা এবং একটি বোমা মামলা রয়েছে। শেখ শাহাজালাল উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রয়াত সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ওয়াহেদুজ্জামানের একান্ত লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। শেখ শাহাজালাল ও উজ্বলের নেতৃত্বে মূলত গড়ে উঠেছিলো কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহিনী। এই শাহাজালাল-উজ্বল বাহিনীর অন্যতম দুজন সদস্য হচ্ছে শাহাজালাল এর শ্যালক শেখ রেজাউল করিম রেজা (সদর যুবলীগের সভাপতি) এবং শেখ শহিদুল ইসলাম (উপজেলা শ্রমিকলীগের অন্যতম নেতা)। মূলত এদের নেতৃত্বে উপজেলা জানায়াত ও শিবিরের কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। এরা একত্রিত হয়ে প্রতিদিন কোন না কোন বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায়। দোকানপাট লুটপাট, সরকারি জমি দখল করে অন্যত্র বিক্রয়, বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবী, টেন্ডারবাজি, জমি দখল, ঘের লুটপাট ছিলো এদের নিত্য নৈমিত্তিক কাজ। শ্রমিকলীগ নেতা শেখ শহিদুল ছিলো থানার দালাল। সে বিএনপি-জামায়াত এর বিভিন্ন নেতাকর্মীদের বাড়ি যেয়ে তাদেরকে ধরিয়ে দিতো। এছাড়া সে কালিগঞ্জ শহীদ জিয়া কাঁচাবাজারের সরকারি সম্পত্তিতে ভুয়া দলিল করে বসবাস করে। বর্তমানে তার পরিবার সেখানে বসবাস করছে। ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর পর এদের কবল থেকে মুক্তি পেয়ে সাধারণ জনগণ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে শুরু করে। এমতাবস্থায় এই সব সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি এলাকার সুধীমহল সহ সাধারণ জনগণের।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com