1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

বিদ্যালয়ের জমির টাকা প্রধান শিক্ষকের পকেটে।

রাশিমুল হক রিমন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির টাকা প্রধান শিক্ষক মোসাঃ সেলিনা আক্তার বেবি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয় জমিদাতার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা এমন অভিযোগ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার পুর্ব হলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।জানাগেছে, আমতলী উপজেলার পুর্ব হলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ওই বিদ্যালয়ে পাঁচজনে মিলে ৬১ শতাংশ জমি দেয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে প্রাচীরের মধ্যে মাত্র ১.৬৭ শতাংশ জমি রয়েছে। অবশিষ্ট ৫৯.৩৩ শতাংশ কৃষি জমি। ওই কৃষি জমি প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি গত ৩৩ বছর নগদ টাকায় বিক্রি করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমিদাতারা অভিযোগ দেয়। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জমি ছেড়ে দিতে বলেলেও তিনি তা মানছেন না। জোর করে তিনি ওই জমি টাকা আত্মসাৎ করছেন। জমিদাতা আলতাফ হোসেন মোল্লার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন।জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করেছেন।মিজানুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি আমার জমি দখল করে ভবন নিমার্ণ করেছেন। কিন্তু আমার জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রধান শিক্ষক জমি বিক্রি করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন।প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তার বেবি বলেন, বিদ্যালয়ের জমি বদলে অন্য জমি ভোগদখল করা হচ্ছে। আমি বিদ্যালয়ের জমির কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি।আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন, এ বিদ্যালয়ের জমির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ওই জমি পরিমাপ করে বিদ্যালয় কতৃর্পক্ষকে বুঝিতে দিতে সার্ভেয়ার পাঠানো হয়েছে।আমতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের জমি অন্য কেউ ভোদদখল সুযোগ নেই। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com