1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাম্প নিজেকে ‘বস’ বলতেই হেসে উঠলেন বিশ্বনেতারা মানবিক সহায়তা-শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে গৌরনদীর মুখ উজ্জ্বল করলেন তাওহীদ, ৯ হাজার ৩৩২ প্রতিযোগীর মধ্যে দ্বিতীয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ বৃত্তি অর্জন কসবা-আখাউড়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় জাইমা রহমান হিজরি নববর্ষ উপলক্ষে পিরোজপুর দারুল কুরআন মহিলা আলিম মাদ্রাসায় ফল উৎসব ৩ বছর কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি নারী কারবালার মহান আত্মত্যাগ স্মরণে চেয়ারম্যান বাবুর আবেগঘন শোকবার্তা জয়দেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ আত্রাই-নওগাঁ মহাসড়ক কি ছিনতাইকারী-খুনিদের অভয়ারণ্য? আতঙ্কে জনপদ, আবারও লাশ উদ্ধার নেছারাবাদে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখলের অভিযোগ

বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি-সাধারন সম্পাদক-সাংগঠনিক সম্পাদক একে অপরের সাথে দ্বন্দ্ব

সোহেল রানা
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল। সংগঠন একটি হলেও সভাপতি, সাধারন সম্পাদক‌ ও সাংগঠনিক সম্পাদক প্রোগ্রাম করেন আলাদা আলাদা। দ্বন্দ্বের কারণে একজনের প্রোগ্রামে দেখা যায় না আরেক জনকে। একটি সংগঠন কোনো আয়োজন করলে সেখানে সেই সংগঠনের সব নেতা কর্মীরা উপস্থিত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এমনটি দেখা যায় না বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে। এই কমিটির মূল তিনজন নেতা আলাদা আলাদা ভাবে আয়োজন করেন। একজন থাকেনা আরেকজনের আয়োজনে। শুধুমাত্র দলীয় আয়োজন বা কর্মসূচিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। এছাড়া এলাকায় তারা আলাদা আলাদা কর্মসূচি করেন, মিটিং মিছিল করেন। সে কারনে যে কারোরই চোখে ধরা দেয় তাদের দ্বন্দ্বের বিষয়টি। তাদের পরষ্পরের আচরণ দেখলে অনেকেই মনে করতে পারেন তারা তিনজন যেন তিন দলের। বা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। তাদের এই দ্বন্দ্বে অনেক কর্মীর মাঝেই ক্ষোভ বিরাজ করে। বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সেলিম সরকার জানান, যখন মূল দলের কোনো কর্মসূচি থাকে তখন সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলাদা আলাদা ভাবে লোকজন জড়ো করেন। কে বেশি লোক দেখাতে পারেন তাদের মধ্যে যেন এমন প্রতিযোগিতা চলে। তাদের রোষানলে আমরা পরি বিপাকে! কার সাথে গেলে কার মন খারাপ হবে। এখন কার মন রক্ষা করব! জানা গেছে, বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি-সাধারন সম্পাদকের কার্যালয় একসাথে আবার সাংগঠনিক সম্পাদকের কার্যালয় আলাদা। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কার্যালয় মহাখালী টিবি গেইটে। এবং সাংগঠনিক সম্পাদকের কার্যালয় আমতলীতে। যেটি আগে ছিল বনানী থানা যুবলীগের কার্যালয়। ৫ আগষ্টের পর বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু দখলে নেন। আগে বনানী থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ সরদার যা করতেন যেভাবে চলতেন এখন মিশু ঠিক তাই তাই করছেন ও সেভাবে চলছেন বলে স্থানীয়রা জানান। সোমবার (২৪ মার্চ) বিকেলে দেখা যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু তার কার্যালয়ের সামনে বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে ইফতার বিতরণের আয়োজন করেন। সেখানে ছিলেন না কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এর দুইদিন আগে সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া সরদার তার কার্যালয়ের সামনে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সব নেতাকর্মীদের দেখা গেলেও ছিলেন না সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু। অনেকেই বলেন মিশুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এর আগে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে মেহেদী হাসান মিশু তার লোকজন নিয়ে দোয়া করতে যান এখানে ছিলেন না সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তাদের কর্মসূচি ছিল আলাদা আলাদা। তাদের দেখা যায় আলাদা আলাদা ভাবে যেতে। এদিকে বনানীর স্বেচ্ছাসেবক দলের তরুণ কর্মীরা বর্তমান কমিটিকে বুড়োদের কমিটি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই কমিটিতে দীর্ঘ বছর ধরে একই নেতৃবৃন্দ আছে। এটিকে ভেঙে নতুন কমিটি দেওয়ার দাবি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com