1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মায়ের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিএনপির সংসদ সদস্যের পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী ময়মনসিংহে উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে শনাক্ত কারিগরি বিচ্যুতি উদ্বেগজনক নয়: এনপিসিবিএল ‘বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং জনকল্যাণে বিরোধিতা করে বিরোধীদল’: জামায়াত আমির কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে ৩ দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু কলাপাড়ায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে ভ্যানচালক অপহরণ: ১২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ড দলের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সহকর্মী লাঞ্ছনার অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে প্রশাসন

Aminul Islam
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাহাবাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা আক্তার মিলির বিরুদ্ধে আবারও বিতর্কিত আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এবার অভিযোগ, এক সহকারী শিক্ষককে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেছেন। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে টাকা দাবির প্রতিবাদ করায় সহকারী শিক্ষক মঈনুল ইসলামের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হুমকির অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী। তারা ইতোমধ্যেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মঈনুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষিকা দুই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে প্রধান শিক্ষিকা উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং জুতা দিয়ে মারধরের হুমকি দেন। তিনি আরও জানান, এর আগেও বিদ্যালয়ের পিয়ন আব্দুর রাজ্জাক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রধান শিক্ষিকার হাতে।

এ বিষয়ে ইউএনও রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে। প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগের দেওয়া অঙ্গীকারনামা ভঙ্গের বিষয়টিও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এর আগে গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে প্রধান শিক্ষিকার অশোভন আচরণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। সেদিন এক সংবাদকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং হুমকির ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। তখন ইউএনও বরাবর দায় স্বীকার করে অঙ্গীকারনামা দিয়েছিলেন ফাতেমা আক্তার মিলা যে, ভবিষ্যতে তিনি এমন আচরণ পুনরাবৃত্তি করবেন না।

একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, ফাতেমা আক্তার মিলি প্রয়াত সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের আত্মীয় এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতির ছোট বোন। রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাবেই তিনি ২০১৫ সালে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে সহকারী শিক্ষক থেকে সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। এরপর থেকেই বিদ্যালয়ে তিনি কর্তৃত্বপরায়ণ মনোভাব দেখিয়ে একাধিকবার সহকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ হাতে পেলেই তিনি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন জমা দেবেন।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com