1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মায়ের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিএনপির সংসদ সদস্যের পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী ময়মনসিংহে উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে শনাক্ত কারিগরি বিচ্যুতি উদ্বেগজনক নয়: এনপিসিবিএল ‘বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং জনকল্যাণে বিরোধিতা করে বিরোধীদল’: জামায়াত আমির কুয়াকাটাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে ৩ দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু কলাপাড়ায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে ভ্যানচালক অপহরণ: ১২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ড দলের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুষ্টিয়া-মিরপুর মহাসড়কে প্রকাশ্য চলছে চাঁদাবাজি

আসাদুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চলাচলরত অটোরিকশা-সিএনজি, শ্যালো ইঞ্জিন চালিত আগলামন, ট্রলি ও পণ্যবাহী পিকআপ থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদার হাফিজুর রহমান হাপির নেতৃত্বে একটি চক্র এ চাঁদা আদায় করছে বলে জানানো হয়েছে। প্রকাশ্যে দিনরাত পালাক্রমে হাতে লাল পতাকা নিয়ে পৌরসভা খাজনা রশিদ দিয়ে এসব যানবাহনের চালকদের থামিয়ে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। আর চাঁদার টাকা না দিলে মারধর ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন চালকরা। শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিকে, এমন চাঁদাবাজি হলেও তা দেখেও দেখছেন না স্থানীয় প্রশাসন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী চালক ও তাদের সহকারীরা। যদিও মিরপুর পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী এসব যানবাহন থেকে চাঁদার টাকা আদায় করতে কাউকেই ইজারা দেওয়া হয়নি। যারা এ ধরনের কাজ করছে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছেন তারা। এসব যানবাহনের চালক ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের। সবাইকে ম্যানেজ করে হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি চক্রকে দিয়ে তোলা হয় এই চাঁদার টাকা। আর টাকা না দিলে মারধরের শিকার হন চালকরা। তাই ভয়ে বাধ্য হয়ে এসব যানবাহনের চালকরা ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দিতে হচ্ছে। কারো কারো কাছ থেকে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকাও আদায় করছে এ চক্রটি। বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী ভুক্তভোগী চালক রেজাউল, মেহেদী, সোহেল রানা বলেন, ‘এ যেন মগের মুল্লুক। সড়ক দিয়ে চলাচল করলেই গুনতে হচ্ছে টাকা। এই মহাসড়ক দিয়ে যতবার যাব, ততবারই ট্রলি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে। অন্য যানবাহনগুলোকেও টাকা দিতে হচ্ছে। মহাসড়কে এমন চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। এতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ এ ব্যাপারে ইজারাদার হাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি কলটি রিসিভ করেননি। মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী এসব যানবাহন থেকে চাঁদার টাকা আদায় করতে পৌরসভা থেকে কাউকেই ইজারা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘এমন কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com