যশোর রেলগেট এলাকার মীর সামির সাকিব সাদী (৩৫) হত্যা মিশনের সদস্য বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড়ের ট্যাটু সুমন ও মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার জেলা গোয়েন্দা শাখা অভিযান চালিয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার কয়েকটি স্পটে অভিযান চালায় ডিবির এসআই মাইদুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি টিম। ওই অভিযানে কয়েকজনকে হেফাজত নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাদীকে শহর থেকে অনুসরণ করে বাড়ির উঠানে এসে ট্যাটু সুমন ও মেহেদী হত্যা করে বলে মামলা হয়। গত ১৭ মার্চ রাত পৌনে ১২টার দিকে শহরের মুজিব সড়কের জয়তী সোসাইটির পেছনের বাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা মীর শওকত আলীর ছেলে সাদীকে ছুিরকাঘাতে ও গুলি করে হত্যা করে। এরপর ১৯ মার্চ গভীর রাতে নিহতের মা কামরুন্নাহার বেগম মামলা করেন। মামলায় বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড়ের কানা বাবুর ছেলে ট্যাটু সুমন ও আশ্রম রোডের আলী ড্রাইভারের ছেলে মেহেদী হাসান অনিকসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় মামলায়। মামলায় বলা হয়, সুমনের হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে ৫/৬ রাউন্ড গুলি করে। একপর্যায়ে তার হাতে থাকা ধারাল চাকু দিয়ে সাদীর বুকে ও পিঠে আঘাত করে। মেহেদী হাসান অনিক গলার মাঝখানে পর পর কয়েকটি আঘাত করে। এসময় সাদী উঠানে পড়ে যান। তার সাথে থাকা ভাই মীর রাকিব হাসান (২৭) ঠেকাতে গেলে তাকেও এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে দুর্বৃত্তরা। যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনার প্রথম দিকে কয়েকদফা অভিযান পরিচালনা করে। তবে হত্যা মিশনের সুমন কিংবা মেহেদী কেউই আটক হয়না। এরপর ওই মামলাটি নিয়ে মাঠে নামে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি। ডিবির এসআই মাইদুল ইসলাম খান ৫ মে শহরের বিভিন্ন স্পটে অভিযান চালিয়েছেন। অভিযানে ডিবি পুলিশ কয়েকজনকে হেফাজতে নিয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকী মেহেদী আটক হয়েছেন বলেও গুঞ্জন ওঠে। এ ব্যাপারে সোমবার রাতে যশোর ডিবির অফিসার ইনচার্জ মঞ্জুরুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান মামলার স্বাক্ষীর কাজে বাইরে আছেন। এস আই মাইদুল ইসলাম খান এ ব্যাপারে ভালো বলতে পারবেন। তবে এসআই মাইদুল ইসলাম খান তদন্তের স্বার্থে যোগাযোগ করলে তিনি আটকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।