1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে গৌরনদীর মুখ উজ্জ্বল করলেন তাওহীদ, ৯ হাজার ৩৩২ প্রতিযোগীর মধ্যে দ্বিতীয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ বৃত্তি অর্জন কসবা-আখাউড়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় জাইমা রহমান হিজরি নববর্ষ উপলক্ষে পিরোজপুর দারুল কুরআন মহিলা আলিম মাদ্রাসায় ফল উৎসব ৩ বছর কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি নারী কারবালার মহান আত্মত্যাগ স্মরণে চেয়ারম্যান বাবুর আবেগঘন শোকবার্তা জয়দেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ আত্রাই-নওগাঁ মহাসড়ক কি ছিনতাইকারী-খুনিদের অভয়ারণ্য? আতঙ্কে জনপদ, আবারও লাশ উদ্ধার নেছারাবাদে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখলের অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতির নতুন কমিটির যাত্রা শুরু ভিসা জটিলতার অবসান, কেপ ভার্দের গোলরক্ষকের মাকে আনছে যুক্তরাষ্ট্র

চিকিৎসকের অসতর্কতায় শিশুর মৃত্যু

এস এম নাছির উদ্দীন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ শহরের অপারেশনের সময় চিকিৎসকের অবহেলার কারণে একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এপেক্স হসপিটালে টনসিলের অপারেশন করাতে গিয়ে চিকিৎসকের অসতর্কতায় শ্বাসনালি কেটে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে একটি দৈনিক পত্রিকার  সাংবাদিকের কাছে এই অভিযোগ আসে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। মারা যাওয়া ১২ বছরের শিশু তাইয়্যিবা তাবাসসুম তন্দ্রা, ত্রিশাল পৌর শহরের রাহেলা-হযরত মডেল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

তন্দ্রা উপজেলার বীর রামপুর (গফাকুড়ি মোড়) এলাকার ব্যবসায়ী মো. গোলাপ মিয়ার কন্যা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছোট্ট শিশুটি কিছু দিন যাবত টনসিলের সমস্যায় ভুগছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যরা তাকে ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকার এপেক্স হসপিটালের কর্মরত চিকিৎসক ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরা’র কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটিকে অপারেশনের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহত শিশুর স্বজনের অভিযোগ, টনসিলের অপারেশনের সময় চিকিৎসকের অসতর্কতার কারণে তার শ্বাসনালি কেটে যায়। এতে অপারেশনের টেবিলেই মৃত্যু হয় তাইয়্যিবা তাবাসসুম তন্দ্রার।
কামিনী কুমার ত্রিপুরা কিশোরগঞ্জের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের চিকিৎসক। অবসরে এপেক্স হাসপাতালে রোগী দেখেন তিনি। এ ব্যাপারে ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরার সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

রোববার বিকেলে গোলাপ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তন্দ্রার অকাল মৃত্যুতে দিশেহারা বাবা-মা। তার স্বজনদের আর্তনাদ কোনো ভাবেই থামছে না। চোখের সামনে একটি সুস্থ-স্বাভাবিক শিশু, অপারেশনের টেবিলে এভাবে মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।

নিহতের চাচা আবুল কালাম বলেন, আমরা আমাদের মেয়েকে সুস্থ করার আশায় এ হাসপাতালে এনেছিলাম। আর এ ডাক্তারই আমাদের মেয়েকে মেরে ফেলল। এটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু না। এটা স্পষ্টতই ডাক্তারের অবহেলা। আমরা এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার চাই। অবিলম্বে এ ঘটনার তদন্ত এবং অভিযুক্ত ডাক্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

রাহেলা-হযরত মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল বলেন, এ হৃদয় বিদারক ঘটনাটি কেবল একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়, এটি সমাজের প্রতিটি বিবেকবান মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। আমাদের সবার প্রত্যাশা, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ অতি দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে এবং দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com