1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটিতে আরও ৮৭ নতুন মুখ, উপদেষ্টা হলেন ৪৯ গুণীজন

সুমন মজুমদার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
  • ৪০০ বার পড়া হয়েছে
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি ১৪৩২-৩৪ বঙ্গাব্দ আংশিক গঠন করা হয়েছে। এতে নতুন করে জায়গা পেয়েছে আরও ৮৭ জন। এছাড়া ৪৯ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।  বুধবার (১১ জুন) রাতে এই কমিটি গঠন করা হয়। ২০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পরবর্তীতে অন্য সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের তথ্য নিশ্চিত করেছে সনাতনীদের বৃহৎ সংগঠনের নেতারা। এর আগে অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদারকে সভাপতি, আয়ান শর্মাকে কার্যকরী সভাপতি, লায়ন আর কে দাশ রুপুকে সাধারণ সম্পাদক ও রতন আচার্য্যকে অর্থ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। কমিটির উপদেষ্টারা হলেন—সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, দিলীপ কুমার মজুমদার, অজয় কৃষ্ণ দাশ মজুমদার, দুলাল মজুমদার, প্রফেসর সুধীর বিকাশ দেব, বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দে, দেবাশীষ পালিত, রমেশ ঘোষ, তিনকড়ি চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট তপন কান্তি দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ পাল অরুণ, অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, ট্রাস্টি অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী (ফেনী), ডা. মনতোষ ধর, ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, ট্রাস্টি সন্তোষ দাশগুপ্ত, স্বপন কুমার পালিত, অজিত কুমার শীল, উত্তম কুমার চক্রবর্তী, পরিমল কান্তি দাশ, দিলীপ কান্তি দত্ত, অনিল চন্দ্র পাল, তপন দাশ, শিমুল মহাজন, পরিতোষ দে, রতন ঘোষ।   আরও আছেন দেবু মহাজন, পিল্টন দে, দ্বিজেন কান্তি দে,শচীনন্দন গোস্বামী, ড. বাবুল চন্দ্র নাথ, অ্যাডভোকেট তরুণ কিশোর দেব, দোদুল কুমার দত্ত, সুজিত আইচ, পিন্টু দাশগুপ্ত, কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস (নোয়াখালী), শম্ভু দাশ, সুদর্শন চক্রবর্তী, সাংবাদিক সুজিত কুমার দাশ, মিটুল দাশগুপ্ত, দয়াল দাশ, অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দত্ত, সুশীল ধর, মনিলাল দাশ, সুবোধ কুমার দত্ত, সুনীল কান্তি দে, অ্যাডভোকেট কবির শেখর নাথ, অমিত চন্দ্র সাহা ও মাইকেল দে। এছাড়া ৮৭ সদস্যের আংশিক কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন রমেশ দত্ত (ঢাকা), লায়ন তপন কান্তি দাশ, সুভাষ চন্দ্র দাস (ঢাকা), প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, প্রবীর কুমার সাহা (ঢাকা), মতি প্রীতি চক্রবর্তী (ঢাকা), পরেশ চন্দ্র চৌধুরী, সাধন ধর, চন্দন দাশ, বিদ্যালাল শীল, মিলন শর্মা, অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, লায়ন অসিত সেন, দুলাল চন্দ্র দে, বাবুল ঘোষ বাবুন, শিবু প্রসাদ দত্ত, হরিপদ দাশ, ব্যাংকার সুজয় কুমার দাশ, কাজল দাশ (বান্দরবান); কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  দিলীপ ঘোষ, ডা. বিধান মিত্র, লায়ন রবিশংকর আচার্য্য, বিপ্লব কুমার চৌধুরী, সুভাষ চন্দ্র দাশ, অ্যাডভোকেট সলিল গুহ, প্রণব সাহা, সিদ্ধার্থ শংকর দাশ, দিপাল অনিন্দ্য পাল, প্রকৌশলী সজিত বৈদ্য, ঝুন্টু চৌধুরী, রাজীব মিত্র।সহ-অর্থ সম্পাদক লিটন কান্তি দত্ত, সুমন ঘোষ বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক আশীষ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ)  সুজন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) গঙ্গেশ্বর চন্দ্র মিত্র বিপ্লব, দপ্তর সম্পাদক বেল্টন কান্তি নাথ, উপ দপ্তর বিবেকানন্দ নাথ, উপ দপ্তর সজল দত্ত, উপ প্রচার এস প্রকাশ পাল, উপ প্রচার স্টালিন দে, উপ প্রচার অরুপ দাশ রুবেল, উপ প্রচার কাজল কর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সজল চৌধুরী, উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা দুলাল কান্তি মল্লিক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী টিংকু, উপ সমাজকল্যাণ সম্পাদক অনিমেষ রায় চৌধুরী, উপ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অসীক দত্ত, পূজা বিষয়ক সম্পাদক সুভাষ বিশ্বাস, উপ পূজা বিষয়ক সম্পাদক গোপাল বিশ্বাস, উপ সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৌসুমি দাশ, অভ্যর্থনা সম্পাদক লায়ন মুনমুন দত্ত মুন্না, উপ অভ্যর্থনা সমিরণ মল্লিক, উপ মহিলা সম্পাদিকা উষা আচার্য্য, উপ মহিলা সম্পাদিকা পাপড়ি কারণ ঘোষ, মৌসুমী চৌধুরী, শিপ্রা চৌধুরী, রিংকু ভট্টাচার্য্য।
কমিটিতে কার্যকরী সদস্যের পদ পেয়েছেন বিমল কান্তি দে, প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, রাজীব ধর তমাল, সাংবাদিক বলরাম দাশ (কক্সবাজার), উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস,  প্রশান্ত কুমার পান্ডে, অরুণ কুমার চৌধুরী, বিধান চন্দ্র দাশ, প্রদীপ বিশ্বাস, স্বপন বৈষ্ণব, আশুতোষ মহাজন, রবিন মিত্র, অনুপ দাশ, পুলক পারিয়াল, লিটন পাল, গোপাল শর্মা, গৌতম ওয়াদ্দেদার, প্রকৌশলী সিহার দত্ত, সুজন শীল, তপন কুমার দে, অমৃত লাল দে, অ্যাডভোকেট অনুপম বিশ্বাস, মিটুন দে, রাজেশ চক্রবর্তী, মিন্টু শীল, সুমন দে, অ্যাডভোকেট সুজন মহাজন, প্রকৌশলী সুভাষ গুহ।  উল্লেখ্য
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com